শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আবারও যমজ শাবকের জন্ম দিলো গরিলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ২:২৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আফ্রিকার গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যানে আবারও পর্বত গরিলার যমজ শাবকের জন্ম হয়েছে, যা সংরক্ষণবিদদের কাছে অত্যন্ত বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাত্র দুই মাস আগে একই উদ্যানে যমজ শাবকের আরেকটি ঘটনা সামনে আসার পর নতুন করে আরও এক জোড়া যমজের জন্মের খবর মিলল। এবার একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী শাবককে ‘বারাকা’ নামে গরিলা গোষ্ঠীতে শনাক্ত করা হয়েছে। এই গোষ্ঠীতে মোট ১৯টি গরিলা রয়েছে এবং তারা পার্বত্য অরণ্যে বিচরণ করে।

উদ্যান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নবজাতক শাবকগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। জন্মের পর প্রথম কয়েক মাস তাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ সময় নানা ঝুঁকি থাকে। পর্বত গরিলার ক্ষেত্রে যমজ জন্ম অত্যন্ত বিরল; মোট জন্মের এক শতাংশেরও কম ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে। এতে মা গরিলার ওপর অতিরিক্ত শারীরিক চাপ পড়ে এবং শাবকদের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে ওঠে।

এই প্রজাতির গরিলা মূলত ভিরুঙ্গা পর্বতমালা এবং উগান্ডার বুইন্ডি অপ্রবেশ্য জাতীয় উদ্যান অঞ্চলে সীমিতভাবে পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে শিশুমৃত্যুর হার তুলনামূলক বেশি এবং রোগ, আঘাত কিংবা গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে অনেক শাবক টিকে থাকতে পারে না। চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই উদ্যানে ‘মাফুকো’ নামে একটি স্ত্রী গরিলাও যমজ শাবকের জন্ম দেয়, যারা বর্তমানে সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে বলে জানা গেছে।

ভিরুঙ্গা উদ্যানে গরিলা সংরক্ষণ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত জ্যাক কাটুতু জানিয়েছেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে দুইবার যমজ জন্ম প্রমাণ করে যে চলমান সংরক্ষণ প্রচেষ্টা ইতিবাচক ফল দিচ্ছে এবং এই বিপন্ন প্রজাতির সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে।

একসময় বিলুপ্তির আশঙ্কায় থাকা এই পর্বত গরিলার সংখ্যা ১৯৭০-এর দশকে নেমে এসেছিল প্রায় ২৫০-এ। তবে দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ উদ্যোগের ফলে ২০১৮ সালে এ সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যায়।

রুয়ান্ডা, উগান্ডা ও কঙ্গোতে বিভিন্ন সংস্থা, বিশেষ করে গরিলা ডক্টরসের মতো সংগঠনগুলো চিকিৎসা ও উদ্ধার কার্যক্রমের মাধ্যমে গরিলাদের বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে ভিরুঙ্গা জাতীয় উদ্যান এখনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। গত দুই দশকে এখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ২২০ জনের বেশি রেঞ্জার নিহত হয়েছেন।

সব প্রতিকূলতার মধ্যেও পর্বত গরিলার এই যমজ জন্ম সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় নতুন আশার বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ভোরের আকাশ/এসএইচ

গরিলা

শেয়ার করুন: