শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্নে সাগরে হারিয়ে গেলেন ১৪৩ শরণার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় ভয়াবহ পরিণতির শিকার হয়েছেন একদল শরণার্থী। মৌরিতানিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ১৪০ জনের বেশি অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশেরই মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ইউরোপে যাওয়ার পথে মৌরিতানিয়ার উপকূলে একটি নৌকা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ওই নৌকায় থাকা ১৪৩ জন অভিবাসীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি জানায়, গত ১৪ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত মৌরিতানিয়ার উপকূলে তিনটি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে বিপদে পড়া অন্যান্য নৌকা থেকে ৩৮৭ জন অভিবাসীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাকবলিত নৌকাটি গাম্বিয়ার বাফুলোতো এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রায় ২৫ দিন সমুদ্রে ভেসে থাকার পর ১৮ জুলাই নুয়াদিবু বন্দরে পৌঁছায় নৌকাটি। সেখানে নৌকা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ৩৮ জন জীবিত যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র ম্যাট সল্টমার্শ জানান, উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। যাত্রাপথে তারা পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়েছে। বর্তমানে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ছাড়া ১৪ জুলাই মৌরিতানিয়ায় নোঙর করা অন্য একটি নৌকায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, নিহতরা সাব-সাহারান আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক ছিলেন। তবে তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।

আরও পড়ুন

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

মৌরিতানিয়ার কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজের সংখ্যা ১২২ জন। তাদের দাবি, গাম্বিয়া থেকে ১৬০ জন যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরুর পর নৌকাটির জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। ইউএনএইচসিআর ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার এই সমুদ্রপথকে বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী অভিবাসন রুট হিসেবে উল্লেখ করেছে। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা, অতিরিক্ত যাত্রী এবং অনুপযুক্ত নৌযানের কারণে এ পথে মৃত্যুঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আটলান্টিক রুটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হলো মৌরিতানিয়া। প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ দেশটির উপকূল থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত কঠোর নজরদারি ও অভিযানের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এ পথে যাত্রার সংখ্যা কমেছে। মৌরিতানিয়ার কর্তৃপক্ষও বহু আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

ভোরের আকাশ/সু.পা

ইউরোপ, শরণার্থী

শেয়ার করুন: