শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পকে ‘উন্মাদ স্বৈরাচার’ আখ্যা দিলেন ডেমোক্র্যাট নেত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ইয়াসামিন আনসারি। তিনি হোয়াইট হাউসকে একজন ‘উন্মাদ স্বৈরাচার’ (maniacal tyrant) দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিহিত করেছেন, যিনি নিজের দেশ এবং বাকি বিশ্বকে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান যদি কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালী’ সম্পূর্ণভাবে খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালানোর আল্টিমেটাম দিয়েছেন ট্রাম্প।

এই ঘোষণার পরই এক কড়া বিবৃতিতে আনসারি বলেন, ইরানি বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি থেকে শুরু করে এখন পুরো একটি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, ইয়াসামিন আনসারির বাবা-মা ইরান থেকে আসা অভিবাসী। আনসারি শুরু থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধযাত্রার ঘোর বিরোধী। তিনি এই সামরিক অভিযানকে ‘বেপরোয়া এবং অবৈধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, এই সংঘাতের প্রভাব হবে ‘বিপর্যয়কর’, যার ফলে অসংখ্য মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থান এবং বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে এমন তীব্র সমালোচনা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের মেরুকরণ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকিকে অনেকেই ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য করছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন ওয়াশিংটনের ভেতরে এই রাজনৈতিক বাদানুবাদ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ 

ট্রাম্প

শেয়ার করুন: