শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১০৯ বছর আগে ব্রিটিশদের ধার দেওয়া টাকা সুদসহ ফেরত চায় ভারতীয় পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

১৯১৭ সালের একটি সনদ এত বছর পর আবারও খুলে দিয়েছে পুরনো এক হিসাবের খাতা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ৩৫ হাজার রুপির সেই অর্থ এখনো ফেরত পায়নি বলে দাবি করেছে ভারতের একটি পরিবার।

পরিবারের দাবি, সে সময় তাদের পূর্বপুরুষ জুম্মালাল রুথিয়া ছিলেন একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশদের হয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতীয় সেনাদের ব্যয় মেটাতে সহায়তার উদ্দেশ্যে তিনি ওই অর্থ ঋণ হিসেবে দিয়েছিলেন।

এটি সাধারণ ব্যাংকঋণের মতো ছিল না।

ফলে, কখন অর্থ ফেরত দিতে হবে, সে বিষয়ে মূল নথিতে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ ছিল না। তবে, ১৯১৭ সালের ৪ জুন ভোপাল এজেন্সির সঙ্গে কাজ করা এক কর্মকর্তার মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারকে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে পরিবারটি।

পরিবাটি জানিয়েছে, তাদের কাছে থাকা ঐতিহাসিক নথিপত্রের ভিত্তিতে ব্রিটিশ সরকারের কাছে সেই অর্থ ফেরতের দাবি জানানো হয়েছে। তবে, ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এখনো এই দাবি গ্রহণ করেনি।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকারের ডেট ম্যানেজমেন্ট অফিস থেকে পরিবারটির কাছে একটি ই-মেইল পাঠানো হয়। সেখানে আরো কিছু নথি চাওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি যাচাইয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের চাওয়া অতিরিক্ত নথি প্রস্তুত করছেন বলে জানিয়েছেন জুম্মালাল রুথিয়ার প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) গৌতম রুথিয়া। এসব নথির মধ্যে পারিবারিক বংশপরিচয়ের তথ্য, পুরোনো সনদ এবং ১৯১৭ সালে দেওয়া ঋণের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত নথি চাওয়ার বিষয়টি মূলত দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ের অংশ।


বিশেষ করে বর্তমানে যারা অর্থ ফেরতের দাবি করছেন, তারা ১৯১৭ সালে অর্থ দেওয়া পরিবারেরই উত্তরসূরি কি না, সেটিও যাচাই করা হবে বলে জানায় ব্রিটিশ সরকার।

এদিকে ১০৯ বছর আগের ৩৫ হাজার রুপির বর্তমান বাজারমূল্য কত হতে পারে, তা হিসাব করছে রুথিয়া পরিবার। মূল অর্থের সঙ্গে সাধারণ সুদ, চক্রবৃদ্ধি সুদ এবং অন্যান্য খরচ যোগ করে বর্তমান মূল্য নির্ধারণ করতে চাইছে তারা।

আরও পড়ুন

নারী শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে : ত্রাণমন্ত্রী

গৌতম রুথিয়া জানিয়েছেন, হিসাব শেষ হলে বর্তমান মূল্যের পুরো অর্থই ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি করা হবে।

জুম্মালাল রুথিয়া ১৯৩৭ সালে মারা যান। অর্থাৎ কথিত ঋণ দেওয়ার প্রায় ২০ বছর পর তার মৃত্যু হয়। এর এক দশক পরে, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়। রুথিয়া পরিবারের দাবি, এরপর ওই অর্থ কখনো ফেরত দেয়নি ব্রিটিশ সরকার।

ভোরের আকাশ/এনউব

ব্রিটিশ

শেয়ার করুন: