শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হলিউড তারকা হ্যাথাওয়ের ‘ইনশা আল্লাহ’ বলা নিয়ে নেট দুনিয়ায় ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

হলিউড তারকা অ্যান হ্যাথাওয়ে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। পিপল ম্যাগাজিনের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ৪৩ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী তার ৪০-এর দশকের জীবন এবং বার্ধক্য নিয়ে কথা বলছিলেন।

দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি একটি দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন পেতে চাই, ইনশাআল্লাহ, আমি তেমনটাই আশা করি। হ্যাথাওয়ের মুখে এমন নিখুঁত উচ্চারণে এই আরবি শব্দের ব্যবহার দেখে ভক্তরা চমকে গেছেন এবং মুহূর্তেই এটি এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ভাইরাল হয়ে যায়।

নেটিজেনদের অনেকেই মনে করছেন, হ্যাথাওয়ে কেবল শব্দটি আওড়াননি, বরং এর গভীর অর্থ এবং সঠিক ব্যবহার সম্পর্কেও তিনি বেশ সচেতন। ইন্টারনেটে যখন এলমোর মতো কাল্পনিক চরিত্রের সালাম দেওয়া নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে, তখন হ্যাথাওয়ের এই ভঙ্গিটি অনেককে মুগ্ধ করেছে।

কেউ কেউ রসিকতা করে বলছেন, তার বলার ধরন দেখে মনে হচ্ছে তিনি অনেক আগে থেকেই এই শব্দের ব্যবহারের সাথে পরিচিত। সাক্ষাৎকারে হ্যাথাওয়ে কেবল এই শব্দটিতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং জীবন নিয়ে বেশ কিছু দার্শনিক চিন্তাও শেয়ার করেছেন।

তিনি বলেন, বয়স বাড়ার সাথে সাথে তিনি বার্ধক্যকে ভয় পাওয়ার বদলে কৌতূহল নিয়ে গ্রহণ করতে শিখেছেন।

তার মতে, মানুষ হয় বুড়ো হওয়াকে ভয় পায়, নয়তো অল্প বয়সে মারা যাওয়ার ভয় পায়। তিনি প্রথমটিকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। এছাড়া জীবনের সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে সময়ের সাথে ফল দেয় এবং কীভাবে সব পরিস্থিতিতে চিল বা শান্ত থাকতে হয়, সেই বিষয়েও তিনি নিজের অর্জিত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। জীবনের অনিশ্চয়তা নিয়ে তার মন্তব্য—১১ বছর হোক বা ৪৩, কেউ জানে না পরবর্তী মোড়ে কী অপেক্ষা করছে—ভক্তদের মাঝে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। সূত্র: দ্য ডন।

ভোরের আকাশ/নি

হলিউড তারকা

শেয়ার করুন: