শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তরুণ উদ্যোক্তা সুমনের আঙুর চাষে সফলতা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভালুকায় উথুরা ইউনিয়নের কৈয়াদী গ্রামের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সুমন আহমেদ। তিনি জেলার কৃষিতে সৃষ্টি করেছেন নতুন সম্ভাবনা। সুমন প্রায় ৭ শতক জমিতে ১৩ জাতের উন্নতমানের আঙুর চাষ করে পেয়েছেন সফলতা, যা স্থানীয় কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করতে পারে। এ আঙুর বাগানে তার ভাগ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে আঙুর চাষের ধারণা হয় সুমনের।

সুমন আহমেদ শুধু একজন সাধারণ ছাত্র নন, তিনি একজন স্বপ্নবাজ তরুণ, যিনি কৃষিকে বেছে নিয়েছেন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার হাতিয়ার হিসেবে। তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উন্নত জাতের আঙুর সংগ্রহ করে নিজ এলাকায় চাষাবাদ শুরু করেন। তার বাগানে চাষকৃত আঙুরের জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে বাইকুনর, একেলো, ভেলেজ, গ্রিন লং, আমেরিকান রিলায়েন্স, অস্ট্রেলিয়ান কিং, মাসকাট হুয়াইট, মার্সেল ফোর্স, থার্টি ওয়ান এবং জয় সিডলেজ।

গত বছরের তুলনায় এই বছর সুমনের আঙুর চাষে উল্লেখযোগ্য ফলন হয়েছে। তিনি আশা করছেন, আগামীতেও ফলনের পরিমাণ আরও বাড়বে। সুমন বলেন, "দেশজুড়ে যদি এইভাবে উন্নত জাতের আঙুরের চাষ বিস্তৃত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বিদেশ থেকে আঙুর আমদানির প্রয়োজন নাও হতে পারে।"

সুমনের এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কৈয়াদী ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। তিনি সবসময় কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে যাচ্ছেন।

ভালুকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান বলেন, "সুমন পরীক্ষামূলকভাবে তার বাড়ির আঙিনায় আঙুর চাষ করেছে। সব দিক বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে ভালুকার মাটি ও আবহাওয়া আঙুর চাষের জন্য উপযুক্ত।"

কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশের মাটি আঙুরের জন্য উপযুক্ত। পরিমিত মাত্রায় সার ও যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে একটি আঙুর গাছ বছরের পর বছর ধরে ফলন দিতে পারে। বাংলাদেশে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে আঙুর গাছ ছাঁটাই করলে মার্চ-এপ্রিলে ফল পাওয়া যায়। আঙুর পাকার সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে পলিথিন জাতীয় কাগজ দিয়ে গাছ ঢেকে দিতে হয়, কারণ বৃষ্টির পানি লাগলে আঙুর ফেটে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

সুমন তার বাগানকে আরও সম্প্রসারিত করতে চান এবং আধুনিক পদ্ধতিতে আঙুর চাষের প্রসার ঘটাতে চান। তার লক্ষ্য স্থানীয় বাজারে উচ্চমানের আঙুর সরবরাহ করে বিদেশি ফল আমদানির পরিমাণ কমানো। এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও এখন সুমনের সাফল্যে উৎসাহিত হচ্ছেন এবং আঙুর চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

ভালুকাআঙুর চাষ

শেয়ার করুন: