শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভিয়েতনামে আয়রনম্যান ইভেন্টে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ালেন সাজেদুর

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ মো. সাজেদুর রহমান ভিয়েতনামের দানাং শহরে অনুষ্ঠিত পূর্ণ দূরত্বের আন্তর্জাতিক আয়রনম্যান প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। 'আয়রনম্যান ভিয়েতনাম ২০২৬' এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র অংশগ্রহণকারী তিনি। তিনি ৩৫–৩৯ বছর বয়সের বিভাগে অংশ নেন। এই প্রতিযোগিতায় সাজেদুর রহমান ৩.৮ কিলোমিটার সাঁতার, ১৮০ কিলোমিটার সাইক্লিং এবং ৪২.২ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড় মিলিয়ে নির্ধারিত পূর্ণ দূরত্ব শেষ করেন ১৫ ঘণ্টা ৩৪ মিনিট সময়ে।

তবে রেস চলাকালে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। প্রায় ৮০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর এক গ্রাব চালকের হঠাৎ রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টায় ব্রেক করতে গিয়ে তিনি পড়ে যান এবং তার ডান পায়ে আঘাত লাগে। এতে সাইকেলের চাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পরও থেমে যাননি সাজেদুর রহমান।

বিভিন্ন হাইড্রেশন পয়েন্টে মেকানিকের সহায়তা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেই সাইকেলের চাকা ঠিক করে আবার রেস শুরু করেন। তবে এরপর থেকে সাইকেলের গতি কমে যায় এবং শারীরিক অবস্থাও খারাপ হতে থাকে। পর্যাপ্ত খাবার গ্রহণ করতে না পারায় পুরো রেসজুড়ে তাকে দুর্বলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়।

সাজেদুর রহমান বলেন, রানিং সেগমেন্ট শুরু করার আগেই আমি দুইবার বমি করি। তখন রেস ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা এলেও মেয়ের কথা এবং বাংলাদেশের পতাকার কথা মনে  পড়ে নতুন করে সাহস পায়।  

তিনি আরও বলেন, মনে হচ্ছিল আমি থেমে গেলে যেন বাংলাদেশই হেরে যাবে। তাই সিদ্ধান্ত নিই যেভাবেই হোক রেস শেষ করব। ফিনিশ লাইনে আমাকে পতাকা দেওয়ার মতো কেউ ছিল না তাই বাংলাদেশের পতাকা ট্রাইস্যুটের পকেটে নিয়েই পুরো রান করেছি।

রেসের শেষ কয়েক কিলোমিটারে আবার গতি বাড়িয়ে হাতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে ফিনিশ লাইন অতিক্রম করেন তিনি।

ভোরের আকাশ/মেদ্র 

খেলাধুলাভিয়েতনাম

শেয়ার করুন: