শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রানের পাহাড় গড়ে ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১:১২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

আগেই ইনিংস ঘোষণা করতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশ দল অপেক্ষা করছিল মুমিনুল হক সেঞ্চুরির জন্য। কিন্তু আক্ষেপ নিয়েই আউট হয়ে গেলেন মুমিনুল। তাই আরও দেরি করলেন না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পাঁচ শতাধিক রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করল লাল সবুজ দল।

লাঞ্চ থেকে ফের মাঠে নেমে বেশি সময় টিকতে পারেননি মুমিনুল। গ্যাভিন হোয়ের লেগ–স্পিনে বলটি স্টাম্প লাইনে পড়েই সামান্য লিফট নেয়, মুমিনুল ডিফেন্সে যেতে চাইলে বল উঠে যায় সোজা সিলি মিড–অফে দাঁড়ানো কার্টিস ক্যাম্ফারের হাতে। ১১৮ বলে ১০ চার মেরে ৮৭ রানে থামেন তিনি। ঠিক সেই মুহূর্তেই ইনিংস ঘোষণা করে দেয় বাংলাদেশ। দলের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ২৯৭, ইনিংস শেষ করতে লেগেছিল মাত্র ৬৯ ওভার।

এতে আয়ারল্যান্ডের সামনে দাঁড়ানো লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫০৯ রান, যা টেস্টের ইতিহাসে তাড়া করে জেতার রেকর্ডের চেয়ে ৯১ রান বেশি। টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি ২০০৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের, যারা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১৮ তাড়া করে জয় পেয়েছিল। সেই ঝলমলে ইতিহাস নতুন করে লেখার মতো সামর্থ্য আয়ারল্যান্ড দেখালেও, মিরপুরের চতুর্থ ইনিংসের ধীর–ক্রমশ দানাদার টার্ন নেওয়া উইকেটে ৫০৯ রানের লক্ষ্য কার্যত ‘অসাধ্য সাধন’ বলাই যায়।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪৭৬। জবাবে আয়ারল্যান্ড করে ২৬৫। ফলে ২১১ রানের লিড নিয়েই দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে সাদমান ইসলাম (৭৮) এবং শান্ত (১)-এর দ্রুত বিদায় কিছুটা চাপ তৈরি করলেও সেই চাপ মুহূর্তেই সামাল দেন মুমিনুল ও মুশফিকুর রহিম। দুজনের ব্যাটে আসে ১৬৭ বলের ১২৩ রানের জুটি। এই জুটিই ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বাংলাদেশের পক্ষে ঘুরিয়ে দেয়।

প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা মুশফিক দ্বিতীয় ইনিংসেও ছিলেন দারুণ ছন্দে। অপরাজিত ৫৩ রান আসে ৮১ বল থেকে, যার মধ্যে আছে এক ছক্কা ও দুইটি চার। দুই ইনিংস মিলিয়ে তার অভিজ্ঞতা ও পরিণত ব্যাটিংই আয়ারল্যান্ডের বোলারদের সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। অন্যদিকে মুমিনুলও ছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে আত্মবিশ্বাসী। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কানপুরে ভারতের বিপক্ষে তার শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল। এরপর দেড় বছরের অপেক্ষা এবারও পূরণ হলো না।

আয়ারল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে গ্যাভিন হোয়ে ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী। ১৭ ওভার বল করে তিনি নেন ২ উইকেট। নিল ও ম্যাকব্রাইন নেন একটি করে। কিন্তু উইকেট সংখ্যা যতই হোক, বাংলাদেশের ব্যাটিং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তাদের পরিকল্পনাকে কার্যত ভঙ্গুর করে দেয়।


ভোরের আকাশ/তা.কা

 

 

 

 

আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটটেস্ট ক্রিকেটেবাংলাদেশ ক্রিকেট

শেয়ার করুন: