শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপে টাকার বৃষ্টি, রেকর্ড ১০৮ কোটি টাকার প্রাইজমানি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নারী ক্রিকেট এখন আর শুধু সম্ভাবনার গল্প নয়, বাস্তব অগ্রগতির এক শক্তিশালী উদাহরণ। সেই অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)! ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা করল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা! আর্থিক দিক থেকেও এটি হয়ে উঠছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নারী ক্রিকেট ইভেন্ট।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠেয় ২০২৬ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর খুব বেশি সময় বাকি নেই। আসর শুরুর আগেই সবচেয়ে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রাইজমানির অঙ্ক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবার যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, তা নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে যেকোনো বিশ্বকাপের মধ্যে সর্বোচ্চ-মোট প্রায় ১০৮ কোটি টাকা।

এর আগের আসর, ২০২৪ সালের বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি ছিল প্রায় ৯৮ কোটি টাকার কাছাকাছি (৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ডলার)। সেখান থেকে এবারের আসরে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার, যা টাকায় রূপান্তর করলে ১০৮ কোটিরও বেশি। দলসংখ্যা ১০ থেকে বেড়ে ১২ হওয়াও এই অর্থ বৃদ্ধির বড় কারণ।

সবচেয়ে বড় অঙ্কটি রাখা হয়েছে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য। শিরোপা জিতলেই মিলবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি। রানার্সআপ দলও খালি হাতে ফিরবে না; তারা পাবে প্রায় ১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার বেশি। অর্থাৎ ফাইনালেই নিশ্চিত হচ্ছে কোটি কোটি টাকার লড়াই।

সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও রয়েছে বড় অঙ্ক-প্রতিটি দল পাবে প্রায় ৮ কোটি টাকার কাছাকাছি (৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার)। এমনকি গ্রুপ পর্বেও প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য প্রায় ৩৮ লাখ টাকার মতো (৩১ হাজার ১৫৪ ডলার) রাখা হয়েছে। প্রতিটি ম্যাচই হয়ে উঠবে আর্থিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, কোনো দল যদি একটি ম্যাচও না জেতে, তবুও তারা খালি হাতে ফিরবে না। শুধুমাত্র অংশগ্রহণ করলেই প্রতিটি দল পাবে অন্তত ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। মাঠে নামার আগেই বাংলাদেশের মতো দলগুলোর জন্য নিশ্চিত হচ্ছে কোটির অঙ্কের আয়।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত এই বৃদ্ধি পাওয়া প্রাইজমানিকে নারী ক্রিকেটের দ্রুত উন্নতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এই বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ শুধু প্রতিযোগিতার মানই বাড়াবে না, বরং বিশ্বজুড়ে নারী ক্রিকেটকে আরও বিস্তৃত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলবে।

আগামী ১২ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ দল, অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে, খেলবে গ্রুপ-১ এ। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী দলগুলো-অস্ট্রেলিয়া, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান এবং নেদারল্যান্ডস। ১৪ জুন বার্মিংহামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান, যেখানে প্রতিটি রান আর প্রতিটি জয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে কোটি টাকার হিসাবও।

ভোরের আকাশ/এনউব

বিশ্বকাপে টাকার বৃষ্টি

শেয়ার করুন: