শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অজিদের দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের বিপক্ষে মিরাজের দারুণ অর্জন

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। জশ হ্যাজেলউড, নাথান লায়ন, মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স চারজনের প্রত্যেকের নামের পাশে রয়েছে ৩০০ বা তার বেশি টেস্ট উইকেট। ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে এই চার বোলারকে একসঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া।

আর সেই বোলিং আক্রমণের বিপক্ষেই দারুণ ব্যাটিং করে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে বাংলাদেশ।

হ্যাজেলউড-লায়ন-কামিন্স-স্টার্কদের নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের সামনে ৪২৬ রান করেছে বাংলাদেশ। খেলেছে ১৩৮ ওভার।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত সাড়ে সাত বছরে কোনো সফরকারী দল এত বেশি সময় ব্যাট করতে পারেনি। শুধু তাই নয়, স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২২৮ রানের লিডও পেয়েছে বাংলাদেশ, যা গত সাড়ে সাত বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের বিপক্ষে কোনো সফরকারী দলের সর্বোচ্চ লিড।

এই পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বড় অবদান অবশ্য মেহেদী হাসান মিরাজের। দলের কঠিন সময়ে ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। তার ব্যাটিংয়ে ছিল ধৈর্য, পরিকল্পনা, লড়াই আর পরিস্থিতি বুঝে খেলার অসাধারণ ক্ষমতা।

মিরাজ যখন ক্রিজে যান, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩০৬ রান। কিছুক্ষণ পর মুশফিকুর রহিমও ফিরে যান, দলের স্কোর হয়ে যায় ৬ উইকেটে ৩০৮।

সেখান থেকেই ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেন মিরাজ।

লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের দীর্ঘ সময় ধরে সামলেছেন তিনি। বিশেষ করে ৮ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর তার ব্যাটিং ছিল আরও পরিণত। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সার কৌশল, শর্ট বল কিংবা চাপ তৈরির নানা প্রচেষ্টার বিপরীতে নিজের পরিকল্পনা থেকে সরেননি মিরাজ। বরং স্ট্রাইক ধরে রেখে প্রতিপক্ষের বোলারদের ক্লান্ত করে তুলেছেন।

ফলে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সাত নম্বর কিংবা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের রেকর্ড এখন মিরাজের দখলে। এমন অবস্থান থেকে তার এই ইনিংসের ধারেকাছেও নেই বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটার।

আরও পড়ুন

তাইজুলের আঘাতে লাবুশানে আউট, ব্রেকথ্রু পেল বাংলাদেশ

শুধু এই টেস্টেই নয়, অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে মিরাজের অবদানও ঈর্ষণীয়। এখন পর্যন্ত ২১৯ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে উইকেটশিকারির তালিকায় তিনি আছেন দ্বিতীয় স্থানে। ব্যাট হাতেও করেছেন ২ হাজার ২৯৬ রান, যা বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তাকে রেখেছে পাঁচ নম্বরে।

আর অভিষেকের পর এই সময়ে বিশ্ব ক্রিকেটে টেস্টে ২ হাজারের বেশি রান ও ২০০-এর বেশি উইকেটের দ্বৈত কীর্তি রয়েছে আর মাত্র একজনের। ভারতের রবীন্দ্র জাদেজার।

ভোরের আকাশ/জেআ

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ টেস্টটেস্ট ক্রিকেট

শেয়ার করুন: