শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিসিসিআইকে ৫৩৯ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৫, ৫:২০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিসিসিআইকে ৫৩৯ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ
বিসিসিআইকে ৫৩৯ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

 

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের জন্য বড় এক দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে বোম্বে হাইকোর্ট। আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কোচি টাস্কার্স কেরালা-র সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘটনায় বিসিসিআইকে দিতে হবে ৫৩৯ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ।

এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, বিসিসিআইকে কোচি ক্রিকেট প্রাইভেট লিমিটেড-কে ৩৮৫ কোটি ৫০ লাখ এবং রন্দেভু স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড-কে ১৫৩ কোটি ৫৪ লাখ রুপি পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, এই দুই প্রতিষ্ঠানই কোচি টাস্কার্স কেরালার মালিক ছিল।

২০১০ সালে আইপিএলে অন্তর্ভুক্ত হয় কোচি টাস্কার্স কেরালা, কিন্তু দলটির ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি সংক্রান্ত জটিলতায় এক বছর পরই, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে, তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে বিসিসিআই। অভিযোগ ছিল, চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১০ শতাংশ ফি, যা প্রায় ১৫৬ কোটি রুপি, পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

তবে মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং এর ফলে বিলম্বিত পেমেন্টই ছিল মূল কারণ বলে জানানো হয় তখন। চুক্তি বাতিলের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামে কোচি ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং ২০১৫ সালে নিযুক্ত সালিশকারীরা বিসিসিআইকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দেন।

বিসিসিআই সে সময় ক্ষতিপূরণ না দিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পুনরায় আইপিএলে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব পায়, কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। বোর্ড এরপর আপিল করে এবং শেষ পর্যন্ত বোম্বে হাইকোর্টে এসে সেই রায় বহাল থাকে।

বিসিসিআই চাইলে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে, এবং সে জন্য তাদের হাতে ছয় সপ্তাহ সময় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: