ঋতুপর্ণার দুর্দান্ত গোলে বিরতিতে সমতায় বাংলাদেশ

এক গোলে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করতে যাচ্ছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। তবে বিরতির ঠিক আগে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন ঋতুপর্ণা চাকমা। কর্নার কিক থেকে সরাসরি দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে নেপালকে হতবাক করে দেন তিনি। তার অসাধারণ গোলে ১-১ সমতায় থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ, একই সঙ্গে ম্যাচেও টিকে থাকে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
নিজেদের গ্রুপে ভুটান ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় নেপাল। তারা ভুটানকে ১-০ এবং শ্রীলঙ্কাকে ২-০ গোল ব্যবধানে পরাজিত করে।
অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ভারতের কাছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হেরে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবেই সেমিফাইনালে ওঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই কিছুটা ছন্দহীন ছিল বাংলাদেশ। এ সুযোগে একের পর এক আক্রমণ চালায় নেপাল। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ২৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। দীপা শাহির কর্নার থেকে পাওয়া বল গোলে পরিণত করেন গীতা রানি।
গোল হজমের পরপরই সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সঠিক ফিনিশিংয়ের অভাবে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। ৩৬তম মিনিটে আরও একটি গোল হজম করতে বসেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রীতি রাইয়ের দূরপাল্লার শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিলি আক্তারেরও অবদান ছিল; তার স্পর্শেই বল পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত বিরতির ঠিক আগে কর্নার থেকে সরাসরি অসাধারণ এক গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ঋতুপর্ণা চাকমা।
ভোরের আকাশ/সু.পা