শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘কিচেন কেবিনেট’ নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন সাবেক উপদেষ্টা!

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সাত সদস্যের ‘কিচেন কেবিনেট’ ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব সিদ্ধান্ত নিতো বলে দাবি করেছেন সেই সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার হতো কিচেন কেবিনেটের বৈঠক। সেইসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছিল একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব। এর জেরে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যদিও তা গৃহীত হয়নি।

সোমবার (২৫ মে) বেসরকারি টেলিভিশন যমুনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বাইরে ড. ইউনূস সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত অন্য কোথাও হতো সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। গত ফেব্রুয়ারিতে একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সরকারের বেশির ভাগ বড় সিদ্ধান্ত হতো উপদেষ্টা পরিষদের বাইরে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চুক্তি প্রসঙ্গে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, এই চুক্তির বিষয়ে কিছু জানত না পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে তার মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। চুক্তির নেপথ্যে ছিলেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও বাণিজ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কোনো কারণ ছিল হয়তো চুক্তি করতে বাধ্য ছিলাম এবং বাধ্যবাধকতা না থাকলে এটা নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যথাযথ হতো।

তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘ডিপ স্টেট’ পৃথিবীতে প্রতিটা ঘটনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকে। পৃথিবীতে কিছুই ঘটে না ‘ডিপ স্টেট’ ছাড়া। তারা সেখানে ম্যানুপুলেট করে থাকে।

নিজের প্রত্যাশার বড় অংশ পূরণ হয়নি জানিয়ে সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, কোনো এক উপলক্ষে আমাকে কিচেন কেবিনেটে যেতে হয়েছিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়। পরে জেনেছি, প্রতি মঙ্গলবার তারা সেখানে বসেন। সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ, এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসতো। এর বাইরে আমার জানা ছিল না এবং একটা গ্রুপ আছে যারা বসে সিদ্ধান্ত নিতো।

আরও পড়ুন

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছিল সরকার। এর কোনো উত্তর দেয়নি ভারত। এ বিষয়ে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, উত্তর কি আমরা চেয়েছিলাম? কোনো উত্তর খুব একটা আমরা আশা করিনি। আমি মনে করি, আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে চলে গেছে বা যাচ্ছে, এমনটা না। মানুষের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ নয়। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং আমার অনুমান তারা আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

বিএনপি সরকারকে নিয়ে এখনই কোনো মূল্যায়ন করতে নারাজ তিনি। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনকে সামলানো সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন সাবেক এই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আমি কোনো পক্ষেরই লোক হিসেবে বিবেচিত হবো না এবং কেউই আমার শক্র হবে না। এটা হলো বড় চ্যালেঞ্জ; আগেও ছিল, এখনো তাই।

ভোরের আকাশ/এনএস

কিচেন কেবিনেটসাবেক উপদেষ্টা

শেয়ার করুন: