শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজিতে ৫ বছরের কারাদণ্ড, কিছু ধারায় কমছে সাজা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ জুলাই ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের মত অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে একটি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

এতে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা লুকানোর মত জালিয়াতি ডিজিটাল কারসাজির আওতায় পড়বে।

এমন কারসাজির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ বিল পাসের ফলে বিদ্যমান আইনের আরও কয়েকটি ধারায় সাজার মেয়াদ কমছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে আগে যেখানে ১০ বছর বা সাত বছরের কারাদণ্ড ছিল, তা সংশোধন করে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ শীর্ষক এ বিল পাস হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে এর ওপর আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

বিলে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ বা প্রবেশের চেষ্টা এবং পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্যের জন্যও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র বা পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে বা প্রবেশের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

পরীক্ষা কর্তৃপক্ষের বৈধ নির্দেশনা, বিধি বা নির্দেশ অমান্য করলেও একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনের প্রশ্ন প্রকাশ, বিতরণ বা প্রচার সংক্রান্ত ধারায় ‘অনলাইন প্ল্যাটফর্ম’ যুক্ত করা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, কেউ প্রশ্ন বা সংশ্লিষ্ট বিষয় কোনো উপায়ে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ নিজের কাছে রাখলে, প্রকাশ করলে বা বিতরণ করলে শাস্তির আওতায় আসবে।

আরও পড়ুন

দীর্ঘ বিরতি ভেঙে নতুন সুরে ফিরল ওয়ারফেজ

অপরদিকে যেকোনোভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

বিলে ‘সংগঠিত পরীক্ষা অপরাধ’ নামে নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

কারাদণ্ডডিজিটাল কারসাজি

শেয়ার করুন: