শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ৬ জুন ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে ভারত বা চীন-কোনো দেশেই যাচ্ছেন না। দুই দেশেরই আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির ভারসাম্য বজায় রাখতে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে আগামী ২১ ও ২২ জুন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুর যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পরপরই ভারতের তরফ থেকে নতুন সরকারকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ঢাকায় এসেছিলেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠান। একই সময়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তাকে ফোনে শুভেচ্ছা জানানোর সময় সফরের আমন্ত্রণ দেন। পরে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের পক্ষ থেকেও বেইজিং সফরের আমন্ত্রণপত্র আসে।

গত এপ্রিল থেকে চীন বিশেষভাবে আগ্রহ দেখাচ্ছিল। গত ৬ মে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর বৈঠকে তারেক রহমানকে জুনের শেষ সপ্তাহে বেইজিং সফরে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়। গত ২৩ মে চীনের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ২৩ থেকে ২৬ জুন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠিও ঢাকায় পৌঁছায়।

এছাড়া, প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব সফর করবেন কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল। অতীতে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীদের সৌদি আরবে প্রথম যাওয়ার নজির রয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে সেই পরিকল্পনা আর এগোয়নি। সার্কভুক্ত দেশ ভুটান দিয়ে প্রথম সফর শুরুর বিষয়টি নিয়েও সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছিল।

তবে, শেষ পর্যন্ত চীন বা ভারত- কোনোটিই নয়। গত ২৪ মে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ হাইকমিশন। ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর গত ১ জুন কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে আনোয়ার ইব্রাহিমের পক্ষ থেকে ২১ ও ২২ জুন সফরের আমন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন কার্যক্রমে ‘শ্যাম ও কুল’ উভয়ই রক্ষা পাওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে- এমন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম বিদেশ সফরের জন্য ছোট দেশ বা তুলনামূলক নিরপেক্ষ কোনো রাষ্ট্রকে বেছে নেওয়া সরকারের একটি সতর্ক এবং সুচিন্তিত কূটনৈতিক পদক্ষেপ।
সূত্রগুলো বলছে, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং ভারত-চীন প্রতিযোগিতার বাস্তবতায় প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য নির্ধারণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি বা বেইজিংকে বেছে নিলে অপর পক্ষকে অপ্রীতিকর বার্তা যেতে পারে- এই বিবেচনাই কার্যত তৃতীয় দেশ হিসেবে মালয়েশিয়াকে সামনে এনেছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য কেবল প্রটোকলের বিষয় নয়, এটি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারেরও একটি প্রতীকী বার্তা। সেই বিবেচনায় মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া ভারত ও চীনের ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে বাংলাদেশের ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টার বহিঃপ্রকাশ।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২২ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় স্থান পাচ্ছে বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা। দীর্ঘসময় ধরে বন্ধ থাকা বা সীমিত পরিসরে থাকা এই বাজারটি পুনরায় পূর্ণোদ্যমে চালু হওয়া বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার মধ্যদিয়েই খুলছে বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্বার- এটাই মনে করছেন বিশিষ্টজনরা।

কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, মালয়েশিয়া সরকার এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সফরের দ্বিতীয় দিনে দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সফরের গুরুত্ব ও কূটনৈতিক তৎপরতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর কেবল একটি সাধারণ কূটনৈতিক সফর নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারের একটি কৌশলগত মিশন।

শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা সফরের অন্যতম প্রধান বিষয় হলো বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারকে স্বচ্ছ ও সিন্ডিকেটমুক্ত করা। অতীতে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বারবার সংকটে পড়েছে। অর্থনৈতিক প্রভাব মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার পুনরায় খুললে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। দক্ষ ও অদক্ষ-উভয় ধরনের কর্মী প্রেরণের মাধ্যমে বেকারত্ব নিরসন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এই সফরে উভয় দেশের মধ্যে শ্রমশক্তি রপ্তানি নিয়ে একটি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কর্মী নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে, যাতে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা মধ্যস্বত্বভোগী কর্মীদের শোষণ করতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত লাখো বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নতুন আশার আলো।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে কুয়ালালামপুরের প্রবাসী কমিউনিটির প্রতিটি স্তরে এখন একটাই আলোচনা- ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং প্রবাসীদের ভাগ্যবদল’।

প্রবাসীদের প্রত্যাশা, দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠকে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রশ্নটি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে। একই সঙ্গে সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও মনে করছেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে স্বাগত জানিয়ে এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন প্রবাসীরা। অনেকেই আশাপ্রকাশ করেছেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও জটিলতার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মালয়েশিয়া যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, সরকারপ্রধানের এই সফর শুধু কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সমাধানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা ও সম্প্রসারণের ব্যাপারেও ইতিবাচক অগ্রগতি হবে। মালয়েশিয়া প্রবাসীরা অধীর আগ্রহে প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

মালয়েশিয়া প্রবাসী কমিউনিটি নেতা ও এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেন, আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানের এই সফরের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হবে এটাই প্রত্যাশা। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি এবং সিন্ডিকেটমুক্ত, স্বচ্ছ ও কম খরচে কর্মীবান্ধব শ্রমবাজার গড়ে তোলার বিষয়ে ইতিবাচক কোনো ঘোষণা এলে তা হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য বড় সুখবর হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, রাষ্ট্রপ্রধানদের সফর সাধারণত বড় কোনো কৌশলগত বা অর্থনৈতিক লক্ষ্যকে সামনে রেখেই অনুষ্ঠিত হয়। সে বিবেচনায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়টিই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।

সম্প্রতি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, শ্রমবাজারটা খুলছে। ১০ থেকে ১৫ দিন কিংবা এক মাসের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।২০২৪ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বাজার কার্যত বন্ধ রয়েছে। ওই বছর মালয়েশিয়া সরকার ঘোষণা দেয়, পূর্ব অনুমোদনপ্রাপ্ত বাংলাদেশি কর্মীদের ৩১ মে’র মধ্যে দেশটিতে প্রবেশ করতে হবে। এরপর কর্মী ভিসায় নতুন করে বাংলাদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ হাজারো কর্মী ও তাদের পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একাধিকবার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে। এর অংশ হিসেবে গত এপ্রিল মাসে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন মালয়েশিয়া সফর করেন।

আরও পড়ুন

তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখি: মির্জা ফখরুল

এরপর থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে আশাবাদী বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রথমবার বন্ধ হয়েছিল ২০০৮ সালে। পরে ২০১৬ সালে তা পুনরায় চালু হলেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ২০১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। ২০২২ সালে শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলেও ২০২৪ সালে আবারও তা স্থগিত করা হয়।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন মালয়েশিয়া সফরকে ঘিরে নতুন আশার আলো দেখছেন প্রবাসীরা। তাদের বিশ্বাস, দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে শশ্রবাজার পুনরায় চালুর পথ সুগম হচ্ছে, আনডকুমেন্টেড কর্মীদের জন্য ইতিবাচক সমাধান আসছে এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। সেই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত লাখো বাংলাদেশির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাও বাস্তব রূপ পাবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

মালয়েশিয়া

শেয়ার করুন: