১৬ জুলাই 'শহীদ আবু সাঈদ দিবস', ৮ আগস্ট 'নতুন বাংলাদেশ দিবস' ঘোষণা

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তিনটি নতুন দিবস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পৃথক তিনটি পরিপত্র জারি করে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী,
🔹 ৫ আগস্ট ঘোষণা করা হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে।
🔹 ৮ আগস্ট হবে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’, যেদিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
🔹 ১৬ জুলাই পালিত হবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে—যেদিন গণআন্দোলনের সময় রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ছাত্র আবু সাঈদ।
সরকারের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, ৫ আগস্টের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে এবং ৮ আগস্টের ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ও ১৬ জুলাইয়ের ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’—এই দুটি দিবসকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসগুলো পালনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে তৎকালীন সরকার পদত্যাগে বাধ্য হয়। এরপর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এর আগে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ছাত্র নেতা আবু সাঈদ, যিনি আন্দোলনের একটি প্রতীক হয়ে ওঠেন।
সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, এসব দিবস জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। তাই ইতিহাস সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্দোলনের মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দিবসগুলোর স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ভোরের আকাশ//হ.র