শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

স্বল্প আয়ের মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার মাসিক ভাতা পাবেন। এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় সরকার প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক ভাতা প্রদান করবে। ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে উপকারভোগীদের পছন্দ অনুযায়ী সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে সুবিধাভোগীরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে তাদের ভাতার টাকা সংগ্রহ করতে পারবেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য এই খাতে ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রকল্পের শুরুর দিকে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে দারিদ্র্য সূচক বিশ্লেষণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই পাঁচটি শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়। প্রাথমিক তালিকায় থাকা ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারকে চূড়ান্তভাবে সঠিক ও ভাতার যোগ্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ফ্যামিলি কার্ডপ্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন: