শিরোনাম
এবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসপাহাড়ে ‘বিচার’, জঙ্গলে পড়ে রইলো দুই জনের লাশ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাএকনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনচীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতিরপ্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীসোনার ভরিতে বাড়লো ৩ হাজার ৩২৪ টাকাএবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসপাহাড়ে ‘বিচার’, জঙ্গলে পড়ে রইলো দুই জনের লাশ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাএকনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনচীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতিরপ্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীসোনার ভরিতে বাড়লো ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

কাস্টমসের সাবেক দুই কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য দেশে আনা ও তা আত্মসাতের অভিযোগে কাস্টমসের সাবেক দুই কর্মকর্তা এবং এক আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর জানায়, সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত চার্জশিটের আসামিরা হলেন- ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা আ. রউফ সরকার ও মো. হারুন-অর-রশীদ ও আমদানিকারক মামুন হাওলাদার।

যদিও, মামলার ওই তিন আসামিসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১৯ জুন ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক সুভাষ চন্দ্র দত্ত বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে তদন্তকালে প্রমাণ না পাওয়ায় মামলা থেকে চার আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন উপ-সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন

৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা

মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রক দপ্তরের নিযন্ত্রক মো. আওলাদ হোসেন, সহকারী নিয়ন্ত্রক মো. মামুন ইফতেখার রহমান ও মোছা. ফাতেমা খাতুন এবং উপ-নিয়ন্ত্রক মনিরুজ্জামান খান।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজে অন্যায়ভাবে লাভবান হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে যাত্রী মামুন হাওলাদার কর্তৃক আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য আমদানি করে। তারা অবৈধভাবে আনা মেমোরি কার্ডের ইনভয়েস গোপন করে অতি অল্প সময়ে ২ লাখ ১০ হাজার পিস মেমোরি কার্ড গণনা ছাড়াই গণনা দেখিয়ে খালাস যোগ্য হিসাবে প্রত্যয়ন করেন। যাত্রী মামুন হাওলাদার আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে ক্লিয়ারেন্স পারমিট প্রাপ্তির আবেদন করে পণ্য ছাড় করে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্লিয়ারেন্স পারমিট দেন এবং আটক করা ব্যাগেজের মেমোরি কার্ড অবৈধভাবে আত্মসাৎ করে দণ্ডবিধি ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের ২ নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ভোরের আকাশ/জেআ

দুর্নীতি দমন কমিশন

শেয়ার করুন: