শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে ফিরলেন আফসানা বেগম

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে আবারও দায়িত্ব পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম, যাকে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হঠাৎ করে বাদ দেওয়া হলে আলোচনা-সমালোচনার তৈরি হয়েছিল।

বলা হচ্ছিল, তখনকার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল আফসানা বেগমকে।

গত বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে আবারো এক বছরের চুক্তিতে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

রোববার থেকে অফিস শুরু করার কথা জানিয়ে আফসানা বেগম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি দুই ঘণ্টা আগে জয়েন করেছি। দ্বিতীয়বারের মত এই দায়িত্বে ফিরে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে।”

দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর সহকর্মীদের ‘আন্তরিকতা ও উচ্ছ্বাস’ দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে বলেও তার ভাষ্য।

আফসানা বেগম বলেন, “এতদিন একটা মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে ছিলাম। ব্যক্তিগত রোষের শিকার হয়ে এখান থেকে আমাকে চলে যেতে হয়েছিল। এর চেয়েও বড় বিষয় ছিল, এখানে যে কাজগুলো চলছিল, বিশেষ করে পাঠকসমাজ নিয়ে দ্রুতগতিতে অনেক কাজ এগোচ্ছিল, সেগুলো একদম মুখ থুবড়ে পড়েছিল।

“এখন সেগুলো আবার শুরু করতে পারব, এই আনন্দেই খুব ভালো লাগছে। কাজগুলো যদি ভালোভাবে শেষ করতে পারি এবং নতুন আরও কিছু ভালো কাজ করতে পারি, তাহলেই এখানে আসাটা সার্থক বলে মনে হবে।”

এর আগে গত জানুয়ারিতে কোনো ধরনের 'কারণ ব্যাখ্যা' না করেই জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দিয়েছে অন্তবর্তী সরকার।

সরকার যখন এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, তখন আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে চার দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ঢাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন।

তার জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয় কবি–প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে, যিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।

সেসময় আফসানা বেগম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, “আমাকে কোনো রকম 'কারণ দর্শানোর' নোটিস ছাড়াই এটি করা হয়েছে। সরকার যে কোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার রাখে, সরকার বাতিল করেছে। এখন আমার আর কিছুই বলার নাই।"

নিজের কাজ ‘অর্ধ সমাপ্ত থাকার কথা’ জানিয়ে আফসানা বেগম বলেছিলেন, "আমি তো দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলাম, সে অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করে এগোচ্ছিলাম। এখন কিছু কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।"

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তিনি বই নির্বাচন নীতিমালার সংস্কার করতে চেয়েছিলেন, যেন অযোগ্য বই সরিয়ে ভালো বই নেওয়া হয় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে।

এজন্য নীতিমালা সংশোধন করে, সচিব ও মন্ত্রী কোটা ২০ শতাংশ তুলে দিয়ে ১০০ শতাংশ বই নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে আনতে চেয়েছিলেন আফসানা। কিন্তু তাতে সম্মতি ছিল না সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর।

এ বিষয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে কথোকপথনের বিষয়গুলো পরে ফেইসবুকে প্রকাশ করেন আফসানা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আরও পড়ুন

ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

তার বইয়ের সংখ্যা ২৪। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিচ্ছায়া, বেদনার আমরা সন্তান, আমি অথবা আমার ছায়া, দিনগত কপটতা। অনুবাদ করেছেন নাদিন গড়িমার, উইলিয়াম ফকনার, হুলিও কোর্তাসার, অ্যালিস মানরো, আইজাক আসিমভ, ফিদেল কাস্ত্রো।

২০১৪ সালে জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন আফসানা বেগম।

ভোরের আকাশ/এনএস

পরিচালকজাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র

শেয়ার করুন: