শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:১৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি বৈঠক করেছেন। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টার অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং নৌপরিবহন সুবিধাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে শেখ বশিরউদ্দীন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করছে। তিনি বলেন, থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ওষুধ, চিংড়ি, ফার্নিচার ও পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। এ ধরনের বিনিয়োগ উভয় দেশের জন্য লাভজনক হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সমুদ্রপথ ও নৌপরিবহনের মাধ্যমে লজিস্টিক সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভলিউম বাড়াতে সাহায্য করবে।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি বৈঠকে রানং বন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট চালু করার গুরুত্ব উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফ‌টিএ) করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, থাইল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের রানং সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য করা হলে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার জন্য এ ধরনের অবকাঠামোগত সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বর্তমানে বিদ্যমান নৌপরিবহন ব্যবস্থায় থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে পণ্য পৌঁছাতে ১৪-১৫ দিন সময় লাগে। তবে থাইল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের নৌ রুট ব্যবহার করলে পণ্য ৪–৭ দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। একইভাবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ থাইল্যান্ডসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর বন্দরে দ্রুত পৌঁছাতে সক্ষম হবে

বৈঠকে বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আব্দুর রহিম খান এবং থাইল্যান্ড দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধি জোর দিয়েছেন, সহযোগিতা এবং নৌপরিবহন সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগালে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ ও উন্নত করা সম্ভব।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

 

 

বাণিজ্য উপদেষ্টারাষ্ট্রদূতথাইল্যান্ড

শেয়ার করুন: