শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে গোয়েন্দা নজরদারি: প্রেস সচিব

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতেই গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, এবার নির্বাচনে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিক থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে নির্বাচনের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব তথ্য জানান তিনি।

প্রেস সচিব বলেন, প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিই গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় থাকবে। শুধু প্রকাশ্য নিরাপত্তাই নয়, প্রযুক্তিগত সব ধরনের সহায়তা সর্বোচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশিসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকবে, যাতে কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

শফিকুল আলম বলেন, মূল লক্ষ্য হচ্ছে খুব দ্রুত রেসপন্স করা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধার করা, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের আপামর জনগণ শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এবারের নির্বাচন একটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোটের উৎসব আবার ফিরে আসবে।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, এত বিস্তৃত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে সরকার দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

শফিকুল আলমপ্রেস সচিব

শেয়ার করুন: