শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বইমেলা পেছাতে তারেক রহমানকে খোলা চিঠি ‘প্রকাশক ঐক্যের’

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন অমর একুশে বইমেলা ঈদের পর আয়োজনের দাবি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে খোলা চিঠি দিয়েছে প্রকাশকদের সংগঠন ‘প্রকাশক ঐক্য’।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ১৪ জন প্রকাশকের সই করা খোলা চিঠিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

এতে বলা হয়, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাসে বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্তে তারা উদ্বিগ্ন।

প্রকাশকদের দাবি, রোজার কারণে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাবে। এতে মেলা পাঠকশূন্য হয়ে পড়বে।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রকাশক মনে করছেন রমজান মাসে মেলায় অংশ নেওয়া তাদের জন্য ‘ব্যবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল হবে।

ইতোমধ্যে মূল ধারার তিন শতাধিক প্রকাশক মেলায় অংশ নিতে অপারগতার কথা জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

গত দেড় বছরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রকাশনা শিল্পে সংকটের কথা তুলে ধরে প্রকাশকরা জানান, কাগজের উচ্চমূল্য ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা চরম আর্থিক চাপে রয়েছেন।

এছাড়া নির্বাচনের কারণে গত দুই মাস ছাপাখানাগুলো ব্যস্ত থাকায় নতুন বই প্রকাশ কার্যত বন্ধ ছিল বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

এমন পরিস্থিতিতে তাদের দাবি উপেক্ষা করে বাংলা একাডেমি কেন বইমেলা আয়োজনে অনড়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রকাশকরা।

চিঠিতে বলা হয়, তারা মেলা বর্জন করতে চান না বরং একটি সফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বইমেলা চান। সে জন্য রমজান ও নির্বাচন পরবর্তী বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মেলাটি পিছিয়ে ঈদের পর আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের কাছে তারা দুটি দাবি জানান। প্রথমটি হলো ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘোষিত বইমেলা স্থগিত করা এবং ঈদের পর উৎসবমুখর পরিবেশে পূর্ণাঙ্গ বইমেলা আয়োজন।

চিঠিতে প্রকাশকরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত প্রকাশনা শিল্পকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবে এবং একুশে বইমেলার ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখবে।

ভোরের আকাশ/নি. ব

অমর একুশে বইমেলা

শেয়ার করুন: