শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-১২

পাবলিক বাসে তাসলিমা আখতারের প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-১২ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিমা আখতার বলেছেন, অধিকাংশ ঢাকাবাসী পাবলিক বাসে যাতায়াত করলেও এ খাতে নাগরিক ভোগান্তির শেষ নেই।

গণপরিবহন খাতের প্রকৃত মানোন্নয়নের কোনো কার্যকর উদ্যোগ আজও দৃশ্যমান হয়নি।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী বাংলামোটর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় পাবলিক বাস এবং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিজের নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি।

তাসলিমা আখতার গণপরিবহন ব্যবহারকারী নাগরিকদের পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

গণসংযোগ শুরুর সময় পাবলিক বাসে করে বাংলামোটর থেকে ফার্মগেট হয়ে আগারগাঁও পৌঁছান এবং সেখানে গণসংযোগ শেষে আবার বাসে করেই ফেরেন তিনি।

গণসংযোগকালে মাথাল মার্কার এই প্রার্থী বলেন, নাগরিক জীবনকে সত্যিকার অর্থে সহজ করে তুলতে গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো ছাড়া উপায় নেই।

নারী, প্রতিবন্ধী, বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক-সহ সকল নাগরিকের জন্য সার্বক্ষণিক, নিরাপদ ও সর্বোপরি সুলভ গণপরিবহন জনগণের অধিকার।

অধিকাংশ ঢাকাবাসী বাসে যাতায়াত করলেও এ খাতে নাগরিক ভোগান্তির শেষ নেই।

অথচ বাস-সহ গণপরিবহন খাতের প্রকৃত মানোন্নয়নের কোনো কার্যকর উদ্যোগ আজও দৃশ্যমান হয়নি।

তাসলিমা আখতার আরও বলেন, ভোটারদের সঙ্গে আলাপে পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে জনগণের ভোগান্তির বিষয়গুলো বারবার সামনে এসেছে।

পাশাপাশি যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রি ওঠা-নামা করায় যানজটের ভোগান্তি, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, মেশিন টিকেটিং না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো সঙ্কটগুলো নিয়েও ভোটাররা বিশেষভাবে ভাবিত বলে জানান তিনি।

এ ছাড়া নারী-সহ সংরক্ষিত আসনগুলো বাসের উত্তপ্ত ইঞ্জিনের আশেপাশে থাকায় যাত্রীদের বিশেষত গরমের দিনে দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে বাসে চড়তে হয় বলে উল্লেখ করেন ঢাকা-১২ আসনের এই প্রার্থী।

গণপরিবহন-ব্যবহারকারীদের এই সঙ্কটগুলো সমাধান করতে কার্যকর আইন প্রণয়নের পাশাপাশি ওই আইন-কানুনগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের জন্যও রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ জোরদার করা দরকার বলে মনে করেন তাসলিমা আখতার।

ভোরের আকাশ/নি. ব

নির্বাচনি প্রচারণা

শেয়ার করুন: