পে-স্কেলের বেতন কাঠামো এবং গ্রেড নির্ধারণে সচিবালয়ে সিদ্ধান্ত আজ

বিভিন্ন জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা নবম পে-স্কেল নিয়ে পে কমিশনের সভা এখনও শেষ হয়নি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এ সভা বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটেও শেষ হয়নি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে পে কমিশনে গিয়ে দেখা যায়, কমিশনের চতুর্থ তলার সভাকক্ষে রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলছে। এ বৈঠক কখন শেষ হবে তা নির্দিষ্ট করে পে কমিশনের কোনো কর্মকর্তা জানাতে পারেননি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আজকের এই বৈঠক থেকেই আসতে পারে বেতন কাঠামো ও গ্রেড বিন্যাস সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ২০টি গ্রেড চালু থাকলেও নতুন পে-স্কেলে তা কমিয়ে আনার জোরালো গুঞ্জন রয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের একাংশ মনে করছেন, গ্রেড কমিয়ে আনলে বেতন কাঠামো আরও আধুনিক ও সহজ হবে। তবে অন্য অংশ বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধির পক্ষে অনড়।
সূত্র আরও জানায়, নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের দেয়া কয়েকশ প্রস্তাব চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরির কাজ এখন অন্তিম মুহূর্তে। আজকের সভায় গ্রেড সংখ্যা ও নতুন বেতন কাঠামোর জটিলতাগুলো নিরসন হলেই সুপারিশনামা চূড়ান্ত রূপ পাবে।
আজকের সভা শেষে কেবল বেতন কাঠামোই নয়, সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেয়ার নির্দিষ্ট সময়সূচিও নির্ধারণ হতে পারে। কমিশন বলছে, তারা এমন একটি সুপারিশ তৈরি করতে চায় যা একদিকে যেমন বাস্তবসম্মত হবে, অন্যদিকে সাধারণ কর্মচারীদের কাছেও গ্রহণযোগ্য হবে।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পে কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেয়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়। সে হিসাবে কমিশনের হাতে সময় রয়েছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
ভোরের আকাশ/তা.কা