শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১০ মার্চ উদ্বোধন

১৩ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ মার্চ কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড–সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়–এর প্রতিনিধিরা জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার আওতায় এনে সহায়তা দেওয়া হবে। এ উদ্দেশ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

উপকারভোগী নির্বাচনে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ব্যবহার করা হবে। তবে আর্থিক তথ্যভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ডেটা না থাকায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা সভায় জানান, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত টার্গেটিং ত্রুটি রয়েছে, ফলে অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক কর্মসূচির সুবিধা একীভূত করে এই ত্রুটি কমানো সম্ভব হবে।

অর্থ বিভাগের সচিব বলেন, ফ্যামিলি কার্ড চালুর মাধ্যমে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড এবং ভ্যালনারেবল উইমেন বেনিফিট কর্মসূচিকে এক ছাতার নিচে আনা যেতে পারে। উপকারভোগী নির্বাচনে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলক থাকবে। দ্বৈত সুবিধা প্রতিরোধে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা ডাটাবেসের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ করা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, একটি ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি পরিবারে সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্য বিবেচনায় নেওয়া হবে। একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা বেশি হলে প্রতি পাঁচজনের জন্য পৃথক কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভাতা পেতে পারবেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে উপকারভোগী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারী খানা প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। তবে তিনি এই কার্ডের বাইরে অন্য কোনো ভাতা পাবেন না, যদিও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিদ্যমান ভাতা বহাল থাকবে।

প্রাথমিকভাবে যে এলাকাগুলোতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু হবে সেগুলো হলো—বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জ।

ভোরের আকাশ/তা.কা


 

ফ্যামিলি কার্ডবাংলাদেশ সরকারঅর্থমন্ত্রীমহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন: