শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইউএনএইচসিআরের জরিপ

সমুদ্রপথে এক বছরে সন্ধান মেলেনি ৯০০ রোহিঙ্গার

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সমুদ্রপথে এক বছরে সন্ধান মেলেনি ৯০০ রোহিঙ্গার
সমুদ্রপথে এক বছরে সন্ধান মেলেনি ৯০০ রোহিঙ্গার

রোহিঙ্গাদের জন্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রপথে যাত্রা ২০২৫ সালে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের এক জরিপে বলা হয়েছে, আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে বিপজ্জনক নৌযাত্রায় প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন।

ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৫ সালে ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রার চেষ্টা করেন। এদের মধ্যে প্রতি সাতজনের একজন নিখোঁজ বা নিহত হন, যা বিশ্বব্যাপী শরণার্থী ও অভিবাসীদের সমুদ্রযাত্রায় সর্বোচ্চ মৃত্যুহার হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব যাত্রায় অংশ নেওয়াদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।

সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৬ সালেও এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ২ হাজার ৮০০-র বেশি রোহিঙ্গা সমুদ্রপথে যাত্রা করেছেন। সর্বশেষ ঘটনায়, ২৬ মার্চ বাংলাদেশ থেকে যাত্রা করা একটি অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকা উত্তাল সাগরে ডুবে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে প্রায় ২৫০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নয়জন জীবিত উদ্ধার করা হয়।

ইউএনএইচসিআর বলছে, মানবপাচার, শোষণ ও মৃত্যু ঝুঁকি সত্ত্বেও বহু রোহিঙ্গা বাধ্য হয়ে এই পথ বেছে নিচ্ছেন। সাধারণত বাংলাদেশে কক্সবাজার অথবা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নৌযাত্রা শুরু হয়ে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার দিকে যায় এসব নৌকা। কিন্তু অধিকাংশ নৌযানই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই এবং সমুদ্রযাত্রার জন্য অনুপযুক্ত।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে, মিয়ানমারের চলমান সংঘাত, সহিংসতা ও নাগরিকত্ব সংকট রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার সুযোগ সীমিত করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে তহবিল সংকটে মানবিক সহায়তা কমে যাওয়া, সীমিত শিক্ষা ও জীবিকার সুযোগও তাদের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় ঠেলে দিচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশে অবস্থান করছে। ২০২৫ সালের মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার মাত্র ৫৩ শতাংশ অর্থায়ন হওয়ায় আন্তর্জাতিক সহায়তা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটি বলেছে, নিরাপদ ও বৈধ পথ তৈরি, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ সমাধান ছাড়া এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।

ভোরের আকাশ/সু.পা

৯০০ রোহিঙ্গা মৃত্যু

শেয়ার করুন: