শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: দীনেশ ত্রিবেদী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। সঠিক সময়ে সব আয়োজন হবে।’

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সবসময় ভারত সফরের আমন্ত্রণ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিষয়টি জানেন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার কার্যক্রম থেমে থাকার কোনো কারণ নেই। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আজ না হলেও ভবিষ্যতে হতে পারে। তবে শুধু শীর্ষ বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলোতে বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, বায়ু, নদী, জলবায়ু ও বন্যপ্রাণীর কোনো সীমান্ত নেই। তাই এসব সীমান্তহীন সমস্যা মোকাবিলায় দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন বায়ু ও নির্মল পরিবেশ নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো এক দিনে অর্জন করা সম্ভব নয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি কার্বন ক্রেডিট, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতি চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়েও কর্মকর্তাদের পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি দরকার।

আরও পড়ুন

চার সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন, দায়িত্ব পেলেন যারা

এর আগে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠকে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বন্যপ্রাণীসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।

বৈঠক শেষে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের জনগণের স্বার্থ এবং পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত নির্ভরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনো পক্ষ থেকেই সহযোগিতার প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না। কর্মকর্তা পর্যায়ের আলোচনা ও যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

ভোরের আকাশ/ এনউব

শেয়ার করুন: