শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই বিপ্লবে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ৮৫ শহীদের তালিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ ও শাহাদাতের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে সাধারণ আলেম সমাজ। সংগঠনটির দাবি, প্রায় ১০ মাসের অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই শেষে তারা ৮৫ জন শহীদের তথ্য সংগ্রহ করেছে। তাদের এই আত্মত্যাগকে প্রতীকীভাবে ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ নামে অভিহিত করা হয়েছে।

সাধারণ আলেম সমাজের ভাষ্য, পবিত্র কোরআনে ‘আবাবিল’-এর ঘটনা জালেম শক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য ও প্রতিরোধের প্রতীক। সেই প্রতীকী অর্থেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ বলা হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, এ তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কোনো পূর্বপ্রকাশিত তালিকা অনুসরণ করা হয়নি। বরং প্রতিটি শহীদের পরিবারের বক্তব্য, শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ এবং সরকারি গেজেটে প্রকাশিত তথ্য মিলিয়ে যাচাই-বাছাই করে তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

তাদের মতে, অতীতে প্রকাশিত বিভিন্ন তালিকায় তথ্যগত অসঙ্গতি ও অসম্পূর্ণতা ছিল। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে ২৬ জন মাদরাসা শিক্ষার্থীর শহীদ হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হলেও তাদের অনুসন্ধান অনুযায়ী প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি।

সাধারণ আলেম সমাজের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৯ জুলাই ছিল মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ওই একদিনেই ২৩ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী শহীদ হন। এ কারণে জুলাইয়ের ইতিহাসে ১৯ জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এছাড়া, ২১ জুলাইকে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ দিবস হিসেবে ঘোষণার সমালোচনা করে সংগঠনটি বলেছে, তাদের অনুসন্ধান অনুযায়ী ওই দিন কোনো মাদরাসা শিক্ষার্থী শহীদ হননি। তাই ইতিহাসকে নির্দিষ্ট বয়ানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তথ্যভিত্তিকভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

‘জুলাইয়ের আবাবিল’ বই প্রকাশ

মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের শহীদদের জীবন, আত্মত্যাগ ও ভূমিকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ নামে একটি বই প্রকাশ করেছে সাধারণ আলেম সমাজ।

বইটিতে সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী ৮৫ জন শহীদের জীবনী, পারিবারিক পরিচয়, গণঅভ্যুত্থানে তাদের ভূমিকা এবং শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। বইটি লিখেছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আকিফ আব্দুল্লাহ এবং সম্পাদনা করেছেন মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান।

আরও পড়ুন

হোটেলে গোপন ক্যামেরা আছে কি না বুঝবেন যেভাবে

সংগঠনটির ভাষ্য, বইটি শুধু শহীদদের জীবনীগ্রন্থ নয়; বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে তথ্য, দলিল ও প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপনের একটি গবেষণাধর্মী প্রয়াস।

সাধারণ আলেম সমাজের মতে, জুলাইয়ের ইতিহাস কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর নয়; এটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ইতিহাস। সেই ইতিহাসে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের আত্মত্যাগ যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

ভোরের আকাশ/এনএ

জুলাই সনদ বাস্তবায়নআলেম

শেয়ার করুন: