তারেক রহমানকে ঘিরে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা

দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকে সরজমিনে বিমান বন্দর এলাকায় এ চিত্র দেখা যায়। এদিকে বিমান বন্দরের বাইরে বনানীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে চেক পোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

বিমানবন্দরে ভিভিআইপি টার্মিনালের প্রধান ফটকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, বিমান বাহিনী, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সসদ্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। র্যাবের ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনীর বিশেষ টিম। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা টিম সিএসএফ।

বেবিচক সূত্র জানায়, বুধবার বিকাল থেকেই যাত্রী ছাড়া অন্যদের বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সাদা পোশাকে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছেন।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের অবতরণ থেকে শুরু করে বিমানবন্দর ত্যাগ করা পর্যন্ত অন্তত পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। বিমানবন্দর গোলচত্বর, বেবিচক সদর দফতর, অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল এলাকা এবং আমদানি-রফতানি পণ্যের ৯ নম্বর গেটসহ সব প্রবেশ ও বহির্গমন পথে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। নির্ধারিত এলাকার বাইরে বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলাচলেও আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে দেশত্যাগের পর এই প্রথম দেশে ফিরছেন তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য জনসমাগম ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় রেখেই এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ