শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সমন্বিত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার ও বিসিবির চুক্তি স্বাক্ষর

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং আনসার ও ভিডিপি’র মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। যার মাধ্যমে দেশের ক্রিকেট ভেন্যুগুলোতে সমন্বিত, আধুনিক ও পেশাদার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপিত হলো। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামানের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নিরাপত্তা জোরদার, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং বড় পরিসরের আয়োজন নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এবং বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও সিকিউরিটি কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ।

মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, বিসিবির সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির দীর্ঘদিনের কার্যকর সহযোগিতা এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে একটি সুসংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো লাভ করলো।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ক্রীড়াঙ্গনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক, দক্ষ ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আনসার সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া আয়োজন নির্বিঘ্ন রাখতে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সদস্য এবং সিকিউরিটি কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে নিরাপত্তা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল একটি বিষয়। ক্রিকেট ভেন্যু, খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা এবং দর্শকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা অপরিহার্য।

তিনি জানান, এই চুক্তির আওতায় দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে প্রশিক্ষিত আনসার সদস্য মোতায়েনের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা হবে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ভেন্যুসমূহে নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে বরিশাল, বগুড়া, রাজশাহী, ফতুল্লা, পূর্বাচল, চট্টগ্রাম ও খুলনা-এই সাতটি স্টেডিয়ামে মোট ২৭২ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর আগে ঢাকার মিরপুর, কক্সবাজার এবং সিলেট-এই তিনটি স্টেডিয়ামে ১০৭ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, যা এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ও কার্যকারিতা নির্দেশ করে।

আরও পড়ুন

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশিদ, বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী এবং হেড অব সিকিউরিটি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামিম ফরহাদ (অব.)।

এই সমঝোতা স্মারক দেশের ক্রীড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজতর হবে, বিদেশি দল, কর্মকর্তা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন একটি নিরাপদ ও বিশ্বস্ত গন্তব্য হিসেবে আরও সুদৃঢ় অবস্থান অর্জন করবে। পাশাপাশি, বৃহৎ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই, আধুনিক ও বিশ্বমানের নিরাপত্তা অবকাঠামো গড়ে ওঠার পথ সুগম হবে।

ভোরের আকাশ/নি

বিসিবি

শেয়ার করুন: