শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়া ছিলেন সাহসের অনুপ্রেরণা : জোবাইদা রহমান

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ মার্চ ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সাহস ও অদম্যতার অনুপ্রেরণা। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. জোবাইদা রহমান।  

রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ডা. জোবাইদা রহমান বলেন, শত অত্যাচার ও প্রতিকূলতার মাঝেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অবিচল। তিনি আমাদের জন্য সাহসের অনুপ্রেরণা। আমরা বিশ্বাস করি, নারী এগিয়ে গেলেই একটি জাতি প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যায়।

তিনি বলেন, আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি নারী পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন। এবারের নারী দিবস হোক সাম্যতা, ন্যায্যতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক বলিষ্ঠ অঙ্গীকার।  

এর আগে অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে এ সম্মাননা গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।  

এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও পাঁচজন নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তারা হলেন— ‘অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী’ ক্যাটাগরিতে নুরুন নাহার আক্তার, ‘শিক্ষা ও চাকুরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন, ‘সফল জননী নারী’ ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর, ‘নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা বেগম এবং ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।

প্রতিটি নারীকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও অদম্য মনোবলের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস

শেয়ার করুন: