শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির’ কারণে গ্রামীণ সড়কের উন্নতি হয়নি: ফখরুল

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের গ্রাম-অঞ্চলের সড়কের ‘উন্নতি না হওয়ার পেছনে’ বিগত সরকারের দায় দেখছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তার কথায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সীমাহীন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির’ কারণেও রাস্তাঘাটের এই বেহাল দশা। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে রোববার প্রশ্নোত্তর পর্বে পৃথক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের অনেক রাস্তা অবহেলিত থেকে গেছে এবং বর্তমান সরকার কাঁচা রাস্তাগুলো পর্যায়ক্রমে পাকা করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বিরোধী দলীয় জোটে থাকা রংপুর-৪ আসনের আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে যে চরম দুর্নীতি করা হয়েছে তা আমরা উপলব্ধি করছি। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীলরাও নিজ নিজ এলাকায় ফান্ড নিয়ে চলে গেছেন। যারা কারণে উত্তরাঞ্চলের রাস্তাগুলো একেবারেই অবহেলিত থেকে গেছে। আমরা আগামীতে এ ধরনের কোনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাটসহ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”

বাগেরহাট-৪ আসনের আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সীমাহীন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে গ্রাম-অঞ্চলের সড়কের খুব বেশি উন্নতি হয়নি। রাস্তাগুলো এখনো কাঁচা হয়েছে। এই রাস্তাগুলো পাকা করার জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা কাঁচা রাস্তাগুলো পর্যায়ক্রমে পাকা করবো।”

প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকার সড়ক ও স্থাপনার নামকরণ নিয়েও তথ্য দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য ফেনী-২ আসনের জয়নাল আবেদীনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে ঢাকা মহানগরীতে ১২১টি রাস্তা ও স্থাপনার নতুন নামকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৮৩টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৮টি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা সৈনিক, সাংবাদিক এবং চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের নামে সড়ক, ভবন ও স্থাপনার নামকরণ করা হয়েছে।

তার উপস্থাপিত তালিকার ৪৫ নম্বরে রয়েছে, মধুবাগের নবনির্মিত একটি কমিউনিটি সেন্টার, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স’। সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই নামটি চব্বিশের অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ও বর্তমানে ভারতে পলাতক থাকা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের নামে করা হয়েছে। তবে এই নামকরণ কবে করা হয়েছে, তা তালিকায় বলা হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর কয়েকটি সড়ক ও স্থাপনার নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে গেন্ডারিয়ার দ্বীননাথ সেন রোডের নাম ‘শহীদ শাহরিয়ার আনাস সড়ক’, শেখ কামাল সরণির নাম ‘শহীদ ফারহান ফাইয়াজ সড়ক’ এবং বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ’ রাখা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক সিদ্ধান্তে মধুবাগের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স’ নাম বদলে ‘মধুবাগ কমিউনিটি সেন্টার’ করার কথা জানানো হয়েছিল।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক

বলেন, সরকার আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামুলক করতে যাচ্ছি। আমরা ৭টি ইভেন্টের মাধ্যমে শুরু করবো এবং পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইভেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে ছেলেমেয়েদের ডিভাইসের আসক্তি থেকে সরিয়ে খেলার মাঠে রাখতে চাই।”

এর মধ্যে একাধিক সংবাদমাধ্যমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে সাতটি খেলা জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার সরকারি পরিকল্পনার কথা এসেছে।

বগুড়া-৪ আসনের মোশারফ হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনামলে হওয়া নিয়োগ অনিয়ম তদন্তের কথা বলেন।

তিনি বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ক্রিকেট বোর্ডসহ দেশের সকল ক্রীড়াকে দলীয়করণ ও রাজনীতিকরণ করা হয়েছে।

“বিগত ২০০৮ সাল থেকে যারা দলীয় সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি করে, এতে কারা কারা জড়িত আছে তা জাতির সামনে নিয়ে আসব।”

বোর্ডের অর্থ ও জনবল ব্যবহার করে ‘একটি গ্রুপকে সহযোগিতা’ করার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুদকের প্রতিও আহ্বান জানানো হবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

স্থানীয় সরকারমন্ত্রীমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

শেয়ার করুন: