দুদকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান

দায়িত্বে যোগদান করেছেন নবনিযুক্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৩ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। এরপর ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
দুদক কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তিনি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৬৩ সালের ৬ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ও পরে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দুদকে যোগদানের আগে তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে আইনের অধ্যাপক এবং আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রকল্পে লিগ্যাল এক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অপর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৬৩ সালের ১৫ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বি.কম ও এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মজীবনের শুরুতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ ও এবি ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবেও যোগ দেন।
পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ এবং আইবিএতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফিন্যান্স, বাণিজ্য, ক্যাশ ফ্লো, মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন, সম্পদ ও দায় মূল্যায়ন, ট্রান্সফার প্রাইসিং, মানিলন্ডারিং, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ভোরের আকাশ/জেআ