শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গণভোটের চার প্রশ্নের অধিকাংশেই দ্বিমত নেই: আইনমন্ত্রী

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিনটি প্রশ্ন নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব না থাকলেও অর্ধেক প্রশ্ন নিয়ে দ্বিমত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এই অর্ধেক প্রশ্নটি জুলাই সনদের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে মনে হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জানি না জুলাই সনদ পড়ে কতজন ভোট দিতে গেছেন। গণভোটের সাড়ে তিনটি প্রশ্ন নিয়ে বিন্দুমাত্র কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই।

তবে অর্ধেক প্রশ্ন নিয়ে দ্বিমতের জায়গা আছে। এই অর্ধেক প্রশ্নটি জুলাই সনদের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক দেখা যাচ্ছে।

জুলাই সনদের ৬ নম্বর ধারার ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, প্রথমে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপির কোনো দ্বিমত নেই। তবে পরবর্তী অংশে বলা হয়েছে, এই ১০০ সদস্য জনগণের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত বা প্রপোরশন অনুযায়ী নির্বাচিত হবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সনদের ডান পাশের কলামে উল্লেখ করা হয়েছে– যেসব রাজনৈতিক দল এই প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি করবে, তারা যদি আপত্তির কারণ ও উদ্দেশ্য নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করে এবং নির্বাচনে বিজয়ী হয়, তাহলে তাদের বক্তব্য প্রাধান্য পাবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে আপত্তি জানিয়েছিল। দলটির অবস্থান ছিল, উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচন পার্লামেন্ট সদস্যদের আনুপাতিক হারে হওয়া উচিত, যেভাবে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হন।

তিনি বলেন, আপত্তির সময় বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল এবং বিষয়টি নির্বাচনী ইশতেহারেও উল্লেখ করেছিল। জুলাই সনদের ১৮ নম্বর শর্ত পূরণ করে সনদের যে ব্যাখ্যা দাঁড়ায়, তা নির্দেশ করে যে বিএনপি জুলাই সনদ মেনে নিতে পারত।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ নামে একটি আইন করা প্রয়োজন। প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন অধ্যাদেশ করা হলো না। কারণ সংবিধান সংশোধনের সমপরিমাণ কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা হলে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়তে পারে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংবিধান সংশোধনের সমকক্ষ হয়– এমন কোনো অধ্যাদেশ জারি করা সম্ভব নয়। সে কারণেই তারা অধ্যাদেশের পথে না গিয়ে আদেশের পথে হেঁটেছেন। এই আদেশের আইনি মর্যাদা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের প্রথম ও তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী এ ধরনের আদেশ জারির ক্ষমতা ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বন্ধ হয়ে গেছে।

তার ভাষ্য, ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে কিছু আইন করা হলেও সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর এ ধরনের আদেশ জারির ক্ষমতা আর রাখা হয়নি। আইন পাস হবে পার্লামেন্টে ও পার্লামেন্ট না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারবেন।

‘কিন্তু এখানে বিভ্রান্তিকর কিছু করে বিভাজন তৈরির একটি পথ রেখে দেওয়া হয়েছে,’ বলেন মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন

এসিসির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান তামিম ইকবাল

বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সুস্পষ্টভাবে বলছে– আমরা জুলাই সনদের পথেই থাকতে চাই এবং সেই পথ ধরেই এগোতে চাই। আমাদের ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন, আমরা সেই সংস্কারের যৌক্তিক জায়গায় পৌঁছাতে পারব।

সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আহমদ আব্দুল কাদের ও সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব হোসেন প্রমুখ।

ভোরের আকাশ/জেআ

শেয়ার করুন: