শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভূমিকম্প নিয়ে যা বললেন আজহারী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের ঘটনায় গভীর আবেগ ও আত্মসমালোচনামূলক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। 

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, ভূমিকম্পের সময় বিল্ডিং দুলে ওঠায় কয়েক মুহূর্তের জন্য তিনি একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। আতঙ্কে বুক কেঁপে উঠেছিল তার।

তিনি মনে করেন, যদি আরও কয়েক সেকেন্ড জোরে ঝাঁকুনি হতো, ঢাকায় লাশের মিছিল হতে পারত। তার ভাষায়, নিমেষে গোটা শহর পরিণত হতো নিস্তব্ধ এক গোরস্থানে! দয়াময় এই যাত্রায় আমাদের রক্ষা করেছেন। প্রভু হে, তুমি বড়ই মেহেরবান! অপরিকল্পিত নগরায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং দুর্বল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আল্লাহর দয়া ছাড়া বাঁচার উপায় নেই। মানুষের সীমালঙ্ঘন ও অহংকারকে স্মরণ করিয়ে দিতে এমন ঝাঁকুনিগুলো ‘রিমাইন্ডার’ হিসেবে আসে। 

আজহারী আরও লেখেন, কুরআনের আলোকে মানুষ দুর্বল—ভূমিকম্প সেই দুর্বলতা ও অক্ষমতার প্রমাণ। এর মাধ্যমে মানবজাতিকে দেখানো হয়, সৃষ্টিকর্তার সামনে সবাই অসহায়। ‘চাইলেই যে কোনো মুহূর্তে তোমাদের ধুলিস্যাৎ করে দিতে পারি’—এই মর্মকথাই যেন পৌঁছে যায় মানুষের কাছে।

স্ট্যাটাসে তিনি জীবনের অনিশ্চয়তা ও মৃত্যুর আকস্মিকতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। অনেকেই আজ জুমার দিনের পরিকল্পনা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন, কিন্তু ফিরতে পারেননি—এ কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, আমাদের বেঁচে থাকাটাই আল্লাহর বড় দয়া; কিন্তু আমরা তা উপলব্ধি করি না।

তিনি সবাইকে তওবা, আত্মসমর্পণ এবং ঈমানি চেতনায় ফিরে আসার আহ্বান জানান। স্ট্যাটাসের শেষে কুরআনের আয়াত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসল ভূমিকম্প হবে কিয়ামতের দিনে—যখন জমিন প্রবল কম্পনে কেঁপে উঠবে, পর্বত চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে ধূলিকণায় পরিণত হবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ভূমিকম্পআজহারী

শেয়ার করুন: