শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

“ফ্যাসিবাদ নির্মূল করে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির”

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৫ আগস্ট ২০২৫, ১:০০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
“ফ্যাসিবাদ নির্মূল করে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির”
“ফ্যাসিবাদ নির্মূল করে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির”

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, “একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলে জুলাইয়ের চেতনার পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে।” সোমবার (৪ আগস্ট) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণের মতো সব ধরনের অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য।”

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আমি স্মরণ করছি, যারা স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। গণ-অভ্যুত্থানে আহত, পঙ্গু, কিংবা দৃষ্টিশক্তি হারানো বীর জুলাইযোদ্ধাদের অবদানও জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।”

তিনি বলেন, “শহীদদের পরিবার ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সরকার ও রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।”

রাষ্ট্রপতি আরও জানান, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র একটি ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক উত্তরণের মাধ্যমে গড়ে উঠবে ন্যায় ও সাম্যের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ।”

দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছে।”

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: