শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর একটি সিদ্ধান্তেই রক্ষা পেলো ৩ হাজারেরও বেশি গাছ!

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সড়ক সম্প্রসারণে অতীতে রাস্তার দুই পাশের গাছ কেটে ফেলা ছিল যেন সাধারণ বিষয়। পরিবেশের ক্ষতির দিকটি কখনোই বিবেচনা করা হতো না। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম উদাহরণ সৃষ্টি হলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি সিদ্ধান্তেই। পরিবেশের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি গাছ না কেটে সড়ক নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনায় মেরিন ড্রাইভের ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কারণে কেটে ফেলার ঝুকিতে থাকা তিন হাজার গাছ না কেটেই নির্মাণ করা হচ্ছে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের চার লেনের সড়কটি।

২০২৪-২৫  অর্থবছরে কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভের ৪ লেনে উন্নীতকরণের বৃহত্তর প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায় মেরিন ড্রাইভের কলাতলী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ৩২ কিলোমিটার অংশ ৪ লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। কাজ শুরুর পরেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে তিন হাজার গাছ কাটার আশঙ্কার খবর প্রকাশিত হয়।

খবরটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং একটি গাছও না কেটে সড়ক সম্প্রসারণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এমন দূরদর্শী ও প্রকৃতি প্রেমের নির্দেশনা পেয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী গাছ না কাটার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। এরপর গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবীব সেখানে গিয়ে গাছ না কেটে মেরিন ড্রাইভের সড়ক সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা  ব্রি.জেনারেল (অব) সামসসহ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কতৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সঙ্গে সঙ্গে গাছ না কাটার নির্দেশনা দেই। পরে আমরা সরেজমিনে যাই। সেখানে নির্মাণের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলোচনা করি। নকশায় সামান্য এলায়েন্টমেন্ট পরিবর্তন করে গাছগুলোকে না কেটে সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলমান রেখেছি। 

তিনি জানান, শুধু বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণই নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও দৃষ্টিনন্দন, আকর্ষণীয়, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটকবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

বেনাপোলে ইউনুস হত্যা মামলার আরও ২ আসামী আটক

এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে রাস্তা প্রশস্তকরণ, রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ ২ লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রকৃতি রক্ষার এমন দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতের জন্যও নতুন বার্তা দিচ্ছে।

ভোরের আকাশ/নি

প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন: