শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তদন্ত প্রতিবেদন

ঝুঁকিপূর্ণ ছিল তারেক রহমানের ভিভিআইপি ফ্লাইট

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ মার্চ ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের একটি উড়োজাহাজে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি এবং রক্ষণাবেক্ষণে ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য ফাঁস হয়েছে।

বিমানের এক অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত ২৫ ডিসেম্বর তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) তারেক রহমানকে বহনকারী ভিভিআইপি ফ্লাইটটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার পরও সেই বিমান দিয়েই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

বিমানের উপপ্রধান প্রকৌশলী মো. মনসুরুল আলমের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজটির রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে নজিরবিহীন অনিয়ম করা হয়েছে। বিশেষ করে ১০ ডিসেম্বরের একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ কাজ মাত্র আড়াই ঘণ্টায় শেষ করা হয়, যা বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে অসম্ভব ও নিয়মবহির্ভূত। এমনকি ত্রুটি নির্ণয়ের কোনো সঠিক রেকর্ডও সংরক্ষণ করা হয়নি।

তদন্তে দেখা গেছে, মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে উড়োজাহাজটিতে একই ধরণের যান্ত্রিক ত্রুটি তিনবার দেখা দিয়েছিল। গত ২১ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে সিলেটগামী ফ্লাইটে ‘ভিএফএসজি’ (VFSG) বিকল হয়ে যায়। কমিটির মতে, এমন ত্রুটি নিয়ে উড়লে মাঝ আকাশে বড় ধরণের অগ্নিকাণ্ড বা গিয়ারবক্স ধ্বংস হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই উড়োজাহাজটিই ২৫ ডিসেম্বরের ভিভিআইপি ফ্লাইটে ব্যবহার করা হয়।

রক্ষণাবেক্ষণের এই চরম অব্যবস্থাপনার কারণে বিমানের প্রায় ২৬ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এক বিমানের যন্ত্রাংশ খুলে অন্যটিতে লাগানো (ক্যানিবালাইজেশন) এবং জরুরি ভিত্তিতে যন্ত্রাংশ পরিবহনের পেছনে এই বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। পুরো বিষয়টিকেই বড় ধরণের প্রশাসনিক ও কারিগরি ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি।

প্রতিবেদনে বিমানের দুই প্রকৌশলী হীরালাল এবং মো. সাইফুজ্জামান খানের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। কম ফুয়েল প্রেসারের সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও তাঁরা যথাযথ যাচাই ছাড়া উড্ডয়নের ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। তাঁদের এই চরম অপেশাদারিত্ব ও অবহেলার জন্য কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। বিমানের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রতিবেদন প্রাপ্তির কথা স্বীকার করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। 

ভোরের আকাশ/আ.র

ভিভিআইপি ফ্লাইট

শেয়ার করুন: