শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ১ কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছে কানাডা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই রান্নার জ্বালানি নিশ্চিত করতে ১ কোটি কানাডিয়ান ডলার অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ব্যয় করা হবে এই অর্থ। 

রোববার (১২ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত কানাডা হাইকমিশন ও ইউএনএইচসিআর কার্যালয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এলপিজি বিতরণ শুরুর পর থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে জ্বালানি কাঠের ব্যবহার প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। এতে বন উজাড় হ্রাসের পাশাপাশি প্রতিবছর প্রায় চার লাখ সাত হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ রোধ হচ্ছে।

কানাডা হাইকমিশন বলছে, এ উদ্যোগ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য ও মর্যাদা উন্নয়নেও সহায়ক হবে। বিশেষ করে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের সময় যে ঝুঁকি তৈরি হয়, তা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এলপিজি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় অংশীদার হিসেবে কাজ করছে কানাডা। নতুন এই জলবায়ু-সচেতন সহায়তা পরিবেশ সুরক্ষা, বন উজাড় হ্রাস এবং শরণার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারের মতো পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও শরণার্থীদের জন্য উপকার বয়ে আনবে এবং জ্বালানি কাঠ সংগ্রহজনিত ঝুঁকি কমাবে এই অনুদান।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ জুলিয়েট মুরেকিইসোনি বলেন, ৯ বছর ধরে কঠিন বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে আছেন রোহিঙ্গারা। শরণার্থীদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে কানাডার এই সহায়তা।

আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন (অন্তর্বর্তীকালীন) জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট বলেন, নিরাপদ জ্বালানি শরণার্থী পরিবারগুলোর কল্যাণে মৌলিক চাহিদা পূরণ করছে এবং বিপজ্জনক কাঠ সংগ্রহের প্রয়োজন কমাচ্ছে।

২০১৮ সাল থেকে কক্সবাজারের রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার মূলে রয়েছে এলপিজি সরবরাহ। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে ঘরের ভেতরে বাতাসের গুণমান উন্নত করেছে এবং রান্নার জ্বালানির খরচ কমিয়েছে।

ইউএনএইচসিআর এবং আইওএম’র যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার এই অনুদান প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ শরণার্থী পরিবারের এলপিজি সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কক্সবাজারের প্রায় ১০ হাজার ৭০০ হেক্টর সংরক্ষিত বন রক্ষায় সহায়তা করবে। একইসঙ্গে এটি ভূমিধসের ঝুঁকি কমাবে এবং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় মানুষ ও বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব কমিয়ে স্থানীয় সক্ষমতাকেও শক্তিশালী করবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

রোহিঙ্গা তহবিলইউএনএইচসিআর

শেয়ার করুন: