শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানবপাচারের ঝুঁকি থেকে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ মে ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

জানা গেছে, প্রত্যাবাসিত এসব বাংলাদেশির বেশিরভাগই অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে গিয়ে তাদের অনেকেই অপহরণ, নির্যাতনসহ নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএম কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা থেকে বিরত থাকার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয় এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করার অনুরোধ করা হয়।

আরও পড়ুন

শারীরিক অবস্থার উন্নতি, ঈদের আগেই দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিতদের খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা, ভ্রমণ ব্যয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আশ্রয়ের সহায়তা প্রদান করা হয়।

এদিকে লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ সরকার, দূতাবাস এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

অবৈধ মানবপাচার

শেয়ার করুন: