শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

একুশে বইমেলার পর্দা নামছে আজ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

আলোচনা-সমালোচনা নিয়েই শুরু হওয়ার ১৮তম দিন রোববার অমর একুশে বইমেলার পর্দা নামছে।

এবারের বইমেলায় পাঠকের আগমন কিংবা বিক্রি কোনোটাই প্রকাশকদের স্বস্তি দেয়নি। তার ওপর শুক্রবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ বৃষ্টি বিপাকে ফেলে অনেক প্রকাশককে। রাত ৮টার দিকে হঠাৎ শুরু হয় ঝড়ো বাতাস ও শিলাবৃষ্টি। একপর্যায়ে বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় অনেক স্টলের বই। বৃষ্টির পর কাদা জমে মেলায় দর্শনার্থীদের চলাচল বাধাগ্রস্ত করে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, আগের রাতের বৃষ্টির ক্ষত তখনো শুকায়নি। ভিজে যাওয়া বই রোদে শুকানোর চেষ্টা করছিলেন স্টল কর্মীরা। বড় স্টলগুলো বৃষ্টিতে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও ছোট স্টলের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শিশুদের জন্য গবেষণাধর্মী, আনন্দদায়ী এবং অ্যাক্টিভিটি, গল্প ও শেখার বই বিক্রি করে গুফু পাবলিকেশন। বৃষ্টিতে এ প্রকাশনীর স্টলে থাকা প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ বই ভিজে গেছে বলে জানান বিক্রয়কর্মীরা। বইমেলায় ভেজা বইগুলো প্লাস্টিকে মুড়ে রাখা হয়েছে।

সদর প্রকাশনীর অনেক বই ভিজে গিয়েছিল। স্টলে দর্শনার্থীরা এক পাশে বই দেখছিলেন, অন্য পাশে ভিজে যাওয়া বই শুকাতে দেয়া হয়েছে। বিক্রয়কর্মীরা বলেন, এ বছরের বইমেলায় এমনিতেই পাঠকের খরা। বিক্রিতে মন্দা। এরপর এ বৃষ্টি আমাদের ক্ষতি আরো বাড়িয়ে দিল।

আদী প্রকাশনের স্টলে গিয়ে দেখা যায় কর্মীরা ভেঙে যাওয়া স্টল মেরামত করছিলেন। তারা জানান, বৃষ্টির সময় সিলিং ভেঙে পড়ে। প্রকাশনটির সহকারী ব্যবস্থাপক সুজন আহমেদ বলেন, আমাদের দুই শতাধিক বই ভিজে গেছে। এগুলো আর বিক্রি করা সম্ভব বলে মনে হয় না

কথাপ্রকাশের বইমেলা ইনচার্জ মো. ইউনুস বলেন, আমাদের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে। যখন বৃষ্টি হয় তখন আমরা স্টলেই ছিলাম। সবকিছু সামলে নিতে পেরেছি। যদি বৃষ্টিটা আরো একটু পরে হতো তাহলে অনেক প্রকাশকই সীমাহীন ক্ষতির মুখে পড়ত।

ভোরের আকাশ/আ.র

একুশে বইমেলা

শেয়ার করুন: