শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৪৬

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

জানুয়ারিতে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৫৪৬ জন। যার ৩৭ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। 

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের বার্ষিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি মাসে ৫৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪৬ জন নিহত এবং ১ হাজার ২০৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে। মোট দুর্ঘটনার প্রায় ৩৭ দশমিক ৮৬ শতাংশই ছিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা।

গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। সেখানে ১৩২টি দুর্ঘটনায় ১৩৩ জন নিহত ও ৩২৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে; ২৯টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮ জন।

দুর্ঘটনায় পতিত যানবাহনের ধরনে দেখা গেছে, বরাবরের মতো শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল (২৮.৪৬ শতাংশ)। এরপর রয়েছে ট্রাক-পিকআপ ও লরি (২৩.৬৪ শতাংশ), বাস (১৪.৩৫ শতাংশ), ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক (১৩.৬৩ শতাংশ) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা (৫.৫৪ শতাংশ)।

নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন পেশার মানুষ রয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১২৭ জন চালক, ৮৯ জন পথচারী, ৫৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু, ৫৭ জন শিক্ষার্থী, ২১ জন পরিবহন শ্রমিক এবং ৮ জন শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫ সদস্য এবং ৪ জন চিকিৎসকও এই মিছিলে সামিল হয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সড়কের পাশাপাশি রেল ও নৌপথও ছিল অনিরাপদ। জানুয়ারি মাসে রেলপথে ৩৭টি দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ৬ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য মিলেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে সর্বমোট ৫৯৭টি দুর্ঘটনায় ৫৮৬ জন নিহত এবং ১ হাজার ২৩৮ জন আহত হয়েছেন।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে সড়ক পরিবহন খাতে নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, বেপরোয়া গতি এবং মহাসড়কে ছোট যানবাহনের (ইজিবাইক, মোটরসাইকেল) অবাধ চলাচলকে দায়ী করেছে।

একইসঙ্গে দুর্ঘটনা রোধে সংগঠনটি ১৪ দফা সুপারিশ পেশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, সিসি ক্যামেরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন নির্মাণ, দক্ষ চালক তৈরি এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করা।

ভোরের আকাশ/আ.র

মাসিক সড়ক দুর্ঘটনা

শেয়ার করুন: