শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

২০২৬ সালের শবেবরাত, রমজান, শবেকদর ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামে ইবাদত-বন্দেগি ও হালাল উপার্জন—উভয়ই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোরআন ও হাদিসে মানুষের পার্থিব জীবন ও আখিরাতের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও শবে বরাত, রমজান, শবে কদর ও ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিধান আগের নিয়মেই পালন করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে নামাজ শেষে জীবিকা অন্বেষণের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, নামাজ শেষ হলে তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর। (সুরা জুমআ: ১০)

ইসলামে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, বছরে এক মাস রমজানে রোজা, সামর্থ্যবানদের জন্য হজ এবং জাকাত ফরজ করা হয়েছে। পাশাপাশি শবে কদর, শবে বরাত ও আশুরার দিনের মতো বিশেষ সময়ে নফল ইবাদতের ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে।

আনন্দ উদযাপনের ক্ষেত্রেও ইসলাম নির্দিষ্ট সীমারেখা দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) জাহেলিয়াতের উৎসবের পরিবর্তে মুসলমানদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা নির্ধারণ করেন (আবু দাউদ: ১১৩৪)।

২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি দিবসগুলোর সম্ভাব্য তারিখ

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০২৬ সালে বিভিন্ন ধর্মীয় দিবসের সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো—

শব-ই-মেরাজ: ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার দিবাগত রাত)

শব-ই-বরাত: ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার)

রমজান শুরু: ১৮ ফেব্রুয়ারি (সম্ভাব্য)

রমজান শেষ: ১৮ মার্চ (সম্ভাব্য)

জুমাতুল বিদা: ১৩ মার্চ (শুক্রবার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)

শব-ই-কদর: ১৫ মার্চ (রোববার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)

ঈদুল ফিতর: ১৯ অথবা ২০ মার্চ (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)

ঈদুল আজহা: ১৬ মে (শনিবার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)

হজ: ১৪ মে থেকে শুরু হতে পারে (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)

আশুরা: ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার)

ঈদে মিলাদুন্নবী: ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার)

ইসলামি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতিটি মাসের শুরু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এসব তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে। এখানে সরকারি ক্যালেন্ডার ও সম্ভাব্য হিসাবের ভিত্তিতে দিনগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

 

শবে কদরশবে বরাতমাহে রমজানশবে মেরাজইসলাম

শেয়ার করুন: