শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীরা। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে, ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা এলাকায় জড়ো হয়ে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে কারওয়ানবাজার ও আশপাশের সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

বিক্ষোভকারীরা জানান, তারা সেই ১৭ হাজার শ্রমিকের মধ্য থেকে এসেছেন, যারা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ২০২৪ সালের ৩১ মে মাসের সময়সীমার মধ্যে যাত্রা করতে পারেননি। 

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মী মো. কাওসার ব‌লেন, আমাদের ২০২৪ সালের মে মাসের মধ্যে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখ‌নো যে‌তে পা‌রি‌নি। ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, যার ম‌ধ্যে বে‌শির ভাগ ঋণ।

বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়া মাইন উদ্দিন বাবু বলেন, আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। সরকার আশ্বস্ত করেছিল, কিন্তু বাস্তবে কোনো অগ্রগতি হয়নি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।

বিক্ষোভকারীরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন–

১. যাদের ই-ভিসা ৩১ মে’র আগে ইস্যু হয়েছে কিন্তু বিএমইটির ছাড়পত্র পাননি, এবং যারা সব প্রক্রিয়া শেষ করেছেন, তাদের দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠাতে হবে।

২. নতুন সাক্ষাৎকার হোক বা না হোক, কোনো শ্রমিককে প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা যাবে না।

৩. অতি দ্রুত একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে হবে এবং লিখিতভাবে একটি স্মারকলিপি দিতে হবে।

৪. প্রধান উপদেষ্টা ও প্রবাসীকল্যাণ উপদেষ্টার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই স্মারকলিপি জমা দিতে হবে।

৫. লিখিত সময়সীমার মধ্যে শ্রমিকদের পাঠানো সম্ভব না হলে সরকারকে অবিলম্বে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

বাংলাদেশের হাইকমিশনারমালয়েশিয়াশ্রমিকসড়ক অবরোধ

শেয়ার করুন: