শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সন্‌জীদা খাতুনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং সংগীতজগতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি সন্‌জীদা খাতুন। ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৯১ বছর বয়সে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি মারা যান। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।

সন্‌জীদা খাতুন শুধু একজন সংগীতসাধকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তার হাত ধরেই গড়ে ওঠে দেশের শুদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চার অন্যতম কেন্দ্র ছায়ানট, যা আজও সংগীত ও সংস্কৃতির ধারক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল জন্ম নেওয়া সন্‌জীদা খাতুন ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ কাজী মোতাহার হোসেনের কন্যা। শিক্ষা জীবনে তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি রবীন্দ্রসংগীত ও সংস্কৃতিচর্চায় নিজেকে নিবেদিত করেছিলেন।

শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন তিনি। পাশাপাশি সংগীতচর্চা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ভাষা আন্দোলন ১৯৫২-এর সময় ছাত্রাবস্থায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সহযোদ্ধাদের কাছে তিনি ‘মিনু আপা’ নামেই পরিচিত ছিলেন।

তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন এই মহান ব্যক্তিত্বকে। তাদের মতে, সন্‌জীদা খাতুনের অবদান শুধু সংগীতে নয়- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চেতনা নির্মাণেও তিনি এক অবিস্মরণীয় নাম।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

মৃত্যুবার্ষিকীসন্‌জীদা খাতুন

শেয়ার করুন: