শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে পাঁচ খুনের ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও শ্যালককে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন ট্রাকচালক মো. ফোরকান মিয়া (৪০)। হত্যার পর এক আত্মীয়কে ফোন করে নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। শনিবার (৯ মে) সকালে পাঁচটি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৪০) এবং তাদের তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং ফোরকানের শ্যালক রসুল (২২)। নিহত শারমিন গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পাইকান্দি গ্রামের মো. শাহাদাত মোল্যার মেয়ে। ফোরকান নিজেও গোপালগঞ্জ সদরের মেরি গোপীনাথপুর গ্রামের মো. আতিকুর রহমানের ছেলে।

ঘটনাটি ঘটেছে কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে, যেখানে গত চার মাস ধরে স্ত্রী-সন্তানসহ ভাড়ায় থাকতেন ফোরকান। সরেজমিনে দেখা গেছে, স্ত্রী শারমিনকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে রশি দিয়ে পেঁচিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। অন্য চারজনকে বিছানায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

ঘটনাস্থলে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। মরদেহ যে তিনটি স্থানে পড়ে ছিল, প্রতিটি জায়গায় মরদেহের পাশে প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেগুলো কোনো মামলার নথিপত্র। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের বেশ কিছু আলামতও জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহত শারমিনের চাচি ইভা রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে যৌতুকের জন্য শারমিনকে নির্যাতন করে আসছিলেন ফোরকান। তার ধারণা, মাদক সেবন করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

স্বজন মনির হোসেন জানান, শ্যালক রসুলকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যা করেছেন ফোরকান। তিনি বলেন, ‘শ্যালক রসুলকে ফোন করে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ডেকে আনে ফোরকান। ডেকে এনে তাকেসহ পাঁচজনকে খুন করে। এমন ঘটনা আমরা জীবনেও দেখি নাই।’

প্রতিবেশীরা জানান, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সবাইকে স্বাভাবিকভাবে দেখা গেছে। হত্যার পর ফোরকান এক আত্মীয়কে ফোন করে নিজেই বিষয়টি জানান। সেই সূত্রে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে পাঁচটি মরদেহ দেখতে পান।

আরও পড়ুন

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, 'ঘাতক ফোরকান হত্যা নিশ্চিত হওয়ার পর ফোনকল করে একজনকে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।' তিনি আরও বলেন, 'ঘটনাটির রহস্য উদ্ঘাটনে একাধিক সংস্থা কাজ করছে। বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখছি।'

বর্তমানে বাড়িটিতে সাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ফরেনসিক দল ভেতরে আলামত সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো গাজীপুর জেলায় ব্যাপক আলোড়ন ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ভোরের আকাশ/এনউব

চাঞ্চল্যকর তথ্য

শেয়ার করুন: