শিরোনাম
১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিতরমজানে স্বাভাবিক থাকবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, বাড়ছে না ভোজ্য তেলের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিতরমজানে স্বাভাবিক থাকবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, বাড়ছে না ভোজ্য তেলের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী

আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের প্রভাবে শঙ্কায় রোগী ও স্বজনরা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার আগে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। হঠাৎ নেওয়া এ সিদ্ধান্তে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শতাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

সংকটাপন্ন শিশুদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের সংকট। এদিকে, নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ থাকলেও সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের পর আদ-দ্বীন হাসপাতালে এখন সুনসান নীরবতা। নতুন কোনো রোগী ভর্তি নেয়া হচ্ছে না। আর এতেই চরম বিপাকে পড়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা শত শত রোগী ও স্বজনরা।

শনিবার (১৩ জুন) পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ২৩৪ জন রোগী ভর্তি থাকলেও, রোববার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রোগী সরানোর কাজ। তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন এনআইসিইউ ও আইসিইউতে থাকা সংকটাপন্ন শিশুরা, তাদের পরিবারও এখন দিশেহারা। অন্য কোথাও সিট না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রোগীর স্বজনরা।

এক সদ্যজাত শিশুর বাবা বলেন, এই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আমার সন্তানের জন্ম হয়েছে। মা ও শিশু এখানেই আছে। আমরা এই মুহূর্তে কোথায় যাব? আমরা তো মধ্যবিত্ত পরিবার। অনেক অর্থ দিয়ে স্কয়ার, ইউনাইটেড বা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারি না।

আরেক শিশুর বাবা বলেন, সরকারের প্রতি আবেদন, এদের কোনো গাফিলতি থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি হাসপাতালটাও চালু থাকলো।

আদ-দ্বীন থেকে রোগীদের স্থানান্তরের সবধরনের সহায়তার আশ্বাস দিলেও  জটিলতা তৈরি হওয়ায় ক্ষোভ জানান ভুক্তভোগীরা।

এক রোগীর অভিভাবক বলেন, অন্য হাসপাতালে গেছিলাম সেখানে বললো, আগে ফ্লোরে থাকতে হবে। বেডের রোগীর ছুটি হওয়ার পর সিট পাওয়া যাবে।

অন্য আরেক রোগীর অভিভাবক বলেন, ছয়জনের জন্য ছয় হাজার রোগী মারা যেতে পারে না। এই হাসপাতালের শুধু দোষ দেখবেন কেনো? গুণও দেখেন। হাসপাতাল বন্ধ করা তো কোনো সমাধান না।

গত ৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আদ দ্বীন হাসপাতালের চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। যার ধারাবাহিকতায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের কঠোর নির্দেশনা আসে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র সফর যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

তবে হাসপাতালের এমন পরিণতিতে সাধারণ রোগীদের কেনো ভোগান্তি পোহাতে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানোর কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ভোরের আকাশ/জেআ

নবজাতকের মৃত্যুচিকিৎসাসেবাআদ-দ্বীন হাসপাতালমেডিকেল কলেজ

শেয়ার করুন: