শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী মাসেই চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী 

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগামী মাস থেকে দেশের ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মধ্যম কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা সাধারণ মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ৪ কোটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের কাজ চলছে। এর পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষায়িত ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে আসছি আমরা, যা আগামী মাস থেকেই বিতরণ শুরু হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসময় কৃষকদের বন্ধু ছিলেন। সেই পথ ধরেই আমরা কৃষিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাই।’

১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল পুনঃখনন প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি সম্পন্ন হলে প্রায় ৩১ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। ১২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং এলাকায় বছরে অতিরিক্ত ৬০ হাজার মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দীর্ঘ সময়ে নদী ও খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। আমরা আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের মহাপরিকল্পনা নিয়েছি। এতে একদিকে উজান থেকে আসা পানির ক্ষয়ক্ষতি কমবে, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বাড়বে।’

দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়কে প্রধান কৃষিনির্ভর অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই অঞ্চলে বড় বড় মিল-কারখানা ও কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঈদের পরপরই চূড়ান্ত বৈঠক হবে। শিল্পায়ন হলে কৃষকদের পাশাপাশি তাদের সন্তানদেরও কর্মসংস্থান হবে। আজ যারা ৫ হাজার টাকা আয় করছেন, আগামী কয়েক বছরে তাদের আয় দ্বিগুণ করাই আমাদের লক্ষ্য।’

দেশের স্বাধীনতা এসেছে জনগণের সংগ্রামের মাধ্যমে। জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক এবং তাদের সহযোগিতা ছাড়া উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই উন্নয়নের কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তার নানা-নানি ও খালার কবর জিয়ারত করেন এবং সন্ধ্যায় স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

ভোরের আকাশ/নি

প্রধানমন্ত্রীকৃষক কার্ড

শেয়ার করুন: