শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিল্পায়ন হবে, তবে পরিবেশের ক্ষতি করে নয়: পরিবেশমন্ত্রী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে শিল্পায়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রয়োজন। তবে উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো শিল্পকারখানা গড়ে তোলার সুযোগ নেই।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট উৎপত্তিস্থল বা উৎসগুলো আগে নির্ধারণ করতে হবে। তা না হলে কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি বা ক্ষয়ক্ষতি নিয়েই সাধারণত বেশি আলোচনা হয়। কিন্তু এর মূল সোর্স বা উৎসগুলো নিয়ে কখনো কথা হয় না। অথচ উৎপত্তিস্থলগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে না পারলে আমরা কখনোই টেকসই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারব না।’

বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এ কারণে বর্তমান সরকার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু সুরক্ষাকে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকারের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে।

নিজের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যতদিন আমি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি, ততদিন পরিবেশ সুরক্ষাকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মূল ধারায় রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।’

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ফুটবলের পাশে অপো, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে উৎপাদন বাড়াতেই হবে, আর উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজন ইন্ডাস্ট্রি। তবে ইন্ডাস্ট্রি করার নামে পরিবেশকে নষ্ট বা বিপন্ন করব–সেটি কোনোভাবেই আমরা চাই না।’

সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবেশবিদ এবং সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভোরের আকাশ/এনএস

পরিবেশমন্ত্রী

শেয়ার করুন: