শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা ও এআই ভিডিও নিয়ন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৫, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা ও এআই ভিডিও নিয়ন্ত্রণ
জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা ও এআই ভিডিও নিয়ন্ত্রণ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রার্থীদের পেশীশক্তির প্রভাব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ঝুঁকি। নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, সুষ্ঠু ভোট আয়োজন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত জাতীয় নির্বাচন নিরাপত্তা সেল গঠন করা জরুরি।

অনেক আলোচনার পর নির্বাচনমুখী পরিবেশ তৈরি হলেও, সেটি শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে গন্তব্যে পৌঁছাবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিভিন্ন মহলে। তবে সরকার আত্মবিশ্বাসী যে ভোট নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম বলেন, “সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ। এজন্য ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং রিস্ক ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে সম্ভাব্য হুমকি চিহ্নিত করা দরকার।”

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো যদি পেশীশক্তি, সন্ত্রাসী বাহিনী বা মনোনয়ন বাণিজ্যের আশ্রয় নেয়, তবে সেটিই হবে বড় অন্তরায়।”

আওয়ামী লীগের পতনের পর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি মাঠে রয়েছে। তবে সরকারের অনুকূলে কয়েকটি ছোট দলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। এ অবস্থায় নিরপেক্ষতা রক্ষা ও সহনশীল আচরণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ড. আব্দুল আলীম বলেন, “প্রত্যেক প্রার্থীকে সমানভাবে বিবেচনা করা জরুরি। বড় দল হোক বা ছোট দল, সবাই সমান অধিকার পাবে—এই মানসিকতা না থাকলে নির্বাচন ঝুঁকির মুখে পড়বে।”

এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে এআই-প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ না করলে নির্বাচন-পরিবেশ নষ্ট হতে পারে।

ড. আলীম সতর্ক করে বলেন, “এআই ভিডিও ও সামাজিক মাধ্যমে কাদা ছোড়াছুড়ি যদি অব্যাহত থাকে, তবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা কঠিন হবে। তাই এগুলো মনিটর ও নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।”

তাদের মতে, গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা সংকুচিত না করে বরং নির্বাচনী প্রক্রিয়া যতটা সম্ভব উন্মুক্ত রাখা দরকার। তবেই নির্বাচন নিয়ে মানুষের আস্থা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ভোরের আকাশ/হ.র

জাতীয় নির্বাচন

শেয়ার করুন: